Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কল্যাণীতে বিমানবন্দর: চিহ্নিত ৩টি সম্ভাব্য জমি, চূড়ান্ত করবে এয়ারপোর্ট অথরিটি

কল্যাণীতে বিমানবন্দর: চিহ্নিত ৩টি সম্ভাব্য জমি, চূড়ান্ত করবে এয়ারপোর্ট অথরিটি
  • ৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কল্যাণী: রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে তাদের প্রথম বাজেটেই কল্যাণীতে একটি আন্তর্জাতিক গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর নির্মাণের কথা ঘোষণা করে। সেই মতো তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে প্রশাসনের অন্দরে। এই ক’দিনের মধ্যে পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে খবর। বিমানবন্দরের জন্য ইতিমধ্যে তিনটি সম্ভাব্য জমি চিহ্নিত করে ফেলেছে রাজ্য সরকার। এই তিনটি জমির মধ্য থেকে উপযুক্ত জমি চূড়ান্ত করবে এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা স্থানীয় বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, ‘কোন জমিতে বিমানবন্দর গড়ে উঠবে, তা এখনই নির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। দেখা যাক, এয়ারপোর্ট অথরিটি কোন জমি পছন্দ করে।’

Advertisement

সদ্য হয়ে যাওয়া বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করেছিল, কল্যাণীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গড়ে তোলার জন্য ১,০০০ থেকে ১,৫০০ একর জমি দেওয়া হবে। সেই ঘোষণার পর থেকেই জমি নির্বাচন ও সমীক্ষার কাজ শুরু হয়। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে তিনটি সম্ভাব্য এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এখনই এনিয়ে মুখ খুলতে চাননি কেউ। প্রশাসনের মতে, জমি নির্বাচন, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দিকগুলি বিবেচনার কাজ এখনও শেষ হয়নি। তাই এই মুহূর্তে এনিয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো যাচ্ছে না। তবে সমীক্ষার কাজ দ্রুত গতিতে এগচ্ছে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই বিমানবন্দর প্রকল্পের পরবর্তী ধাপের কাজ শুরু হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। 
তবে এই ঘোষণার পরই আলোচনায় উঠে এসেছে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এইমস কল্যাণীর পিছন থেকে শিমুরালির নরপতিপাড়া পর্যন্ত বিস্তৃত একটি বড়ো জমির প্রসঙ্গ। এলাকায় জোর চর্চা, এই জমিতেই মাথা তুলতে চলেছে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনো সরকারি নথি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
কল্যাণীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বাস্তবায়িত হলে নদীয়াসহ সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিল্প, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে। তাই প্রকল্পের অগ্রগতির দিকে আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছেন কল্যাণীসহ সমগ্র জেলার মানুষ। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ