Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬

দেশে বিমান চলাচল হু হু করে কমছে, প্রভাব পড়েছে কলকাতা সহ একাধিক বড়ো বিমানবন্দরে

হাওয়াই চপ্পল পরা আমজনতাও প্লেনে চড়বে। শুধুই ধনীদের ভাগ্যেই বিমান যাতায়াত কেন থাকবে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হরিয়ানার হিসারে একটি এয়ারপোর্টের উদ্বোধন করে এই মন্তব্য করেছিলেন।

দেশে বিমান চলাচল হু হু করে কমছে, প্রভাব পড়েছে কলকাতা সহ একাধিক বড়ো বিমানবন্দরে
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: হাওয়াই চপ্পল পরা আমজনতাও প্লেনে চড়বে। শুধুই ধনীদের ভাগ্যেই বিমান যাতায়াত কেন থাকবে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হরিয়ানার হিসারে একটি এয়ারপোর্টের উদ্বোধন করে এই মন্তব্য করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, প্লেনে চড়ার ক্ষমতা যেন দেশের সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে চান। কিন্তু তাঁর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই ভারতের বিমান পরিবহণের ব্যয় আকাশছোঁয়া হয়েছে। কিন্তু তার থেকেও উদ্বেগজনক হল, কলকাতা, চেন্নাই, মুম্বই, হায়দরাবাদের মতো ব্যস্ত মেট্রো নগরীগুলিতেও বিমান পরিষেবার সংখ্যা ক্রমশ কমছে। সবথেকে বেশি কমেছে চেন্নাই ও হায়দরাবাদে। কলকাতা এবং মুম্বইও বেশি দূরে নেই। কলকাতায় জুন মাসে এক বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ কম বিমান চলাচল হয়েছে। জুলাই মাসে এই বিমান যাতায়াতের পরিমাণ ১৬ শতাংশ কম। অর্থাৎ মাসে মাসে কমে যাচ্ছে বিমান চলাচল। ভারতের বিমান সংস্থার সংখ্যা ক্রমশ কমছে। আপাতত সবথেকে বেশি বিমান চলে মাত্র দুটি সংস্থার। ইন্ডিগো সর্বোচ্চ, তারপর এয়ার ইন্ডিয়া। এই দুই সংস্থাই তাদের কলকাতা রুটের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা অন্যতম প্রধান কারণ বলা হচ্ছে। যুক্তি আন্তর্জাতিক উড়ান অনেক বেশি সময় নিয়ে যাতায়াত করছে। তার প্রভাব পড়ছে অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলে। তবে এটাও ঠিক, মানুষের হাতে অর্থ কমে এসেছে। তাই বিমানে ওঠা এখন প্রবল বিলাসিতার পর্যায়ে পৌঁছচ্ছে। তারই পরিণতি, বিমান সংস্থাগুলির লোকসান। ভাড়াও বাড়ছে এবং বিমান চলাচল কমিয়েও দেওয়া হচ্ছে। মোদি সরকার উড়ান নামক একটি প্রকল্পে ক্ষুদ্র নগরীতেও এয়ারপোর্ট চালু করে ছোট বিমান চলাচালের ব্যবস্থা করেছিল। সেই প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ছে। ১৫টি এরকম এয়ারপোর্ট সম্পূর্ণ অচল হয়ে বসে আছে। অর্থাৎ সেইসব এয়ারপোর্টে আর বিমান চলাচল হয় না। কারণ যাত্রী পাওয়া যায় না। খোদ রাজধানী দিল্লির সংলগ্ন গাজিয়াবাদে কয়েক বছর আগেই হিন্দন নামক এয়ারফোর্স বেসে একটি ডোমেস্টিক এয়ারপোর্ট চালু হয়। কিন্তু সেই এয়ারপোর্টে বিমান চলাচল ক্রমেই কমে যাচ্ছে। বিমান ভাড়া বৃদ্ধির জেরেই ট্রেনের টিকিটের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ