নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শেষ হয়েছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। উত্তর ২৪ পরগনায় এই দুর্গাপুজোর জন্য বিপুল নামডাক রয়েছে সীমান্তের শহর বনগাঁর। স্বাভাবিকভাবেই পুজোয় শহরের আবর্জনার পরিমাণ অনেক বেড়ে গিয়েছে। পুজো শেষ হতেই তাই শহরকে আবর্জনামুক্ত করতে উদ্যোগী হয়েছে বনগাঁ পুরসভা। প্রতিটি ওয়ার্ডকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে একাধিক মেশিন সহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার উদ্যোগ নিয়েছে তারা।
Advertisement
সীমান্তের শহর বনগাঁয় রোজ বহু মানুষ আনাগোনা করে। এছাড়া শহরে রয়েছে একাধিক ছোট ও বড় বাজার। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এই শহরের উপর দিয়েই যাতায়াত করে বহু মানুষ ও ট্রাক। তাছাড়া শহরের জনসংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। শহরের বাটার মোড়, নিউ মার্কেট, মতিগঞ্জ, স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের ভিড় থাকে থিকথিকে। স্টেশন রোডে রয়েছে একাধিক খাবারের দোকান। কিন্তু ভ্যাট উপচে না পড়া পর্যন্ত আবর্জনা পরিষ্কার করা হয় না বলে অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের। সকাল হতেই আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন এলাকাবাসী। কিছু আবর্জনা আবার নালায় মিশে বেহাল করে তুলেছে নিকাশি ব্যবস্থাকে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের আবর্জনা সংগ্রহ করে পুরসভার সাফাইকর্মীরা তা ডাম্পিং গ্রাউন্ডে নিয়ে যান। কিন্তু, যাতায়াতের খরচ বাঁচাতে দিনে একবারই তাঁরা ভ্যাট থেকে আবর্জনা তুলে নিয়ে যেতেন। ফলে ভ্যাট উপচে পড়ত জঞ্জালে। এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য এবার উদ্যোগী হয়েছে বনগাঁ পুরসভা। সাফাই বিভাগের কাজও তারা আরও সরল করতে চাইছে।
জানা গিয়েছে, বনগাঁ পুরসভায় রয়েছে মোট ২২টি ওয়ার্ড। ইতিমধ্যেই এই ওয়ার্ডগুলিতে ৬০০টি ডাস্টবিন দেওয়া রয়েছে। তবে, আরও নতুন করে ৪০০টি ডাস্টবিন কেনা হবে। শুধু তাই নয়, আবর্জনা সংগ্রহের জন্য ২৫টি টোটো, ১৫টি ট্রাক্টর, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য একটি মেশিন, রাস্তা পরিষ্কারের জন্য আরও একটি মেশিন, ১০টি ওয়াটার ট্যাঙ্ক, ২টি জেসিবি সহ একাধিক আবর্জনা পরিষ্কারের মেশিন কিনতে চলেছে পুরসভা। কী কী কেনা হবে, ইতিমধ্যেই তার তালিকা তৈরি হয়ে গিয়েছে। সেই তালিকা রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরে পাঠানো হবে।
এনিয়ে বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ বলেন, নাগরিক পরিষেবা উন্নত করতে আমরা পুজোর পর আবর্জনা পরিষ্কারের দিকটিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। তাই ১০ ধরনের উন্নতমানের মেশিন ও সামগ্রী কেনা হবে। পাশাপাশি নতুন করে সাফাই বিভাগে কর্মী নিয়োগের দিকটা ভাবা হচ্ছে। এর ফলে শহরের বাসিন্দাদের আবর্জনা নিয়ে ক্ষোভ কমবে বলে আমরা আশাবাদী। প্রতিটি কাউন্সিলার এতে সহমত জানিয়েছেন।
তিথিপ্রিয়া রায় নামে শহরের এক কলেজ পড়ুয়া বলেন, মাঝেমধ্যে সঠিকভাবে আবর্জনা পরিষ্কার হয় না। বৃষ্টি হলে তো আমাদের কষ্টের শেষ থাকে না। দুর্গন্ধ বের হয়। পুরসভা যদি স্থায়ীভাবে এই সমস্যা মেটাতে পারে, তাহলে তো ভালোই হয়।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের আবর্জনা সংগ্রহ করে পুরসভার সাফাইকর্মীরা তা ডাম্পিং গ্রাউন্ডে নিয়ে যান। কিন্তু, যাতায়াতের খরচ বাঁচাতে দিনে একবারই তাঁরা ভ্যাট থেকে আবর্জনা তুলে নিয়ে যেতেন। ফলে ভ্যাট উপচে পড়ত জঞ্জালে। এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য এবার উদ্যোগী হয়েছে বনগাঁ পুরসভা। সাফাই বিভাগের কাজও তারা আরও সরল করতে চাইছে।
জানা গিয়েছে, বনগাঁ পুরসভায় রয়েছে মোট ২২টি ওয়ার্ড। ইতিমধ্যেই এই ওয়ার্ডগুলিতে ৬০০টি ডাস্টবিন দেওয়া রয়েছে। তবে, আরও নতুন করে ৪০০টি ডাস্টবিন কেনা হবে। শুধু তাই নয়, আবর্জনা সংগ্রহের জন্য ২৫টি টোটো, ১৫টি ট্রাক্টর, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য একটি মেশিন, রাস্তা পরিষ্কারের জন্য আরও একটি মেশিন, ১০টি ওয়াটার ট্যাঙ্ক, ২টি জেসিবি সহ একাধিক আবর্জনা পরিষ্কারের মেশিন কিনতে চলেছে পুরসভা। কী কী কেনা হবে, ইতিমধ্যেই তার তালিকা তৈরি হয়ে গিয়েছে। সেই তালিকা রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরে পাঠানো হবে।
এনিয়ে বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ বলেন, নাগরিক পরিষেবা উন্নত করতে আমরা পুজোর পর আবর্জনা পরিষ্কারের দিকটিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। তাই ১০ ধরনের উন্নতমানের মেশিন ও সামগ্রী কেনা হবে। পাশাপাশি নতুন করে সাফাই বিভাগে কর্মী নিয়োগের দিকটা ভাবা হচ্ছে। এর ফলে শহরের বাসিন্দাদের আবর্জনা নিয়ে ক্ষোভ কমবে বলে আমরা আশাবাদী। প্রতিটি কাউন্সিলার এতে সহমত জানিয়েছেন।
তিথিপ্রিয়া রায় নামে শহরের এক কলেজ পড়ুয়া বলেন, মাঝেমধ্যে সঠিকভাবে আবর্জনা পরিষ্কার হয় না। বৃষ্টি হলে তো আমাদের কষ্টের শেষ থাকে না। দুর্গন্ধ বের হয়। পুরসভা যদি স্থায়ীভাবে এই সমস্যা মেটাতে পারে, তাহলে তো ভালোই হয়।



