Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নিষ্ক্রিয় রেশন কার্ডেও বহাল রয়েছে আধার নম্বর সংযোগ, পরবর্তী জালিয়াতি রুখতে সতর্ক সিদ্ধান্ত রাজ্যের

রেশন গ্রাহকের আধার নিয়ে আরও সতর্ক হচ্ছে খাদ্যদপ্তর। রেশন কার্ডের সঙ্গে একজন গ্রাহকের আধার যোগের ব্যবস্থাটি থেকে যাবে, ওই কার্ডটি চালু না-থাকলেও।

নিষ্ক্রিয় রেশন কার্ডেও বহাল  রয়েছে আধার নম্বর সংযোগ, পরবর্তী জালিয়াতি রুখতে সতর্ক সিদ্ধান্ত রাজ্যের
  • ২৮ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রেশন গ্রাহকের আধার নিয়ে আরও সতর্ক হচ্ছে খাদ্যদপ্তর। রেশন কার্ডের সঙ্গে একজন গ্রাহকের আধার যোগের ব্যবস্থাটি থেকে যাবে, ওই কার্ডটি চালু না-থাকলেও। নিষ্ক্রিয় বা বাতিল রেশন কার্ডের সঙ্গে যুক্ত আধার নম্বরটি ব্যবহার করে যাতে নতুন রেশন কার্ড করা না-যায় তার জন্যই এই সতর্কতা। সম্প্রতি খাদ্যশ্রী ভবনে এক পর্যালোচনা বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের অফিসারদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলার অফিসাররাও ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। একই আধার নম্বর দিয়ে একাধিক রেশন কার্ড তৈরির বেশকিছু কেস ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে। এরকম রেশন কার্ডগুলিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

Advertisement

আধার নিয়ে আগেও কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে খাদ্যদপ্তর। জাল আধার দিয়ে রেশন কার্ড তৈরি রুখতেই এই উদ্যোগ। আগে আধার নম্বরসহ আবেদন করলে দপ্তরের পোর্টাল থেকে ই-রেশন কার্ড মিলত। তারপর ছাপানো কার্ড পৌঁছত আবেদনকারীর বাড়িতে। কিন্তু এই ব্যবস্থায় জাল আধার দিয়ে রেশন কার্ড বের করে নেওয়ার সুযোগ ছিল। এরপর ওই রেশন কার্ড ব্যবহার করা হতো অন্যান্য পরিচয়পত্র বের করার জন্য। এসব রুখতেই খাদ্যদপ্তর নতুন নিয়ম চালু করেছে। আবেদনকারীর আধারের বায়োমেট্রিক যাচাই করেই এখন নতুন রেশন কার্ড (ই-রেশন কার্ডসহ) ইস্যু করা হচ্ছে।
রেশন গ্রাহকের আধারের বায়োমেট্রিক যাচাই করে ই-কেওয়াসি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ একটি অগ্রণী রাজ্য। এখানে ৯৪ শতাংশের বেশি গ্রাহকের ই-কেওয়াসি করা হয়ে গিয়েছে। অথচ বিজেপিশাসিত অনেকগুলি রাজ্যে সাফল্যের হার ৫০ শতাংশের নীচে। কেন্দ্র হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ই-কেওয়াইসি ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ১০০ শতাংশ না-হলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের খাদ্য বরাদ্দ/ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাবে। 
অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু কেন্দ্রের বিভাগীয় সচিবকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, ই-পস যন্ত্রের মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি করার ফলে ডিলারদের উপর কাজের চাপ বেড়েছে। তাও একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে এজন্য ২.৫০ টাকা দেওয়া হয়। তবে কার্ড পিছু ২০ টাকা করে দাবি করেছে সংগঠন। 

সম্পর্কিত সংবাদ