সংবাদদাতা, বনগাঁ: ক্লাস ফোর ও ফাইভের বাচ্চারা নিজেদের কল্পনা দিয়ে রাখি তৈরি করেছে। সেগুলি তারা বিক্রি করছে। গাইঘাটা ব্লকের শশাডাঙা এফপি স্কুলে হাট বসেছে সেই রাখির। সেখানে শিশুরাই বিক্রেতা। ছোটো হাতে বানানো সুন্দর সুন্দর রাখি কিনতে ভিড় জমছে হাটে।
সংবাদদাতা, বনগাঁ: ক্লাস ফোর ও ফাইভের বাচ্চারা নিজেদের কল্পনা দিয়ে রাখি তৈরি করেছে। সেগুলি তারা বিক্রি করছে। গাইঘাটা ব্লকের শশাডাঙা এফপি স্কুলে হাট বসেছে সেই রাখির। সেখানে শিশুরাই বিক্রেতা। ছোটো হাতে বানানো সুন্দর সুন্দর রাখি কিনতে ভিড় জমছে হাটে।
শশাডাঙা স্কুলে প্রাক প্রাইমারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন হয়। পড়ুয়া সংখ্যা ১৯৪। এর আগে স্কুলটি মিড ডে মিলের জন্য জৈব সার ব্যবহার করে সবজি চাষ করে তাক লাগিয়েছিল। চাষ এখনও হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাখি। মূলত পড়ুয়াদের কর্মদক্ষতার বিকাশ ও স্বনির্ভরতার পাঠ দিতেই এই হাটের আয়োজন করেন শিক্ষকরা। উপার্জিত অর্থ পড়ুয়াদের জন্যই ব্যয় করা হয়।
বিভিন্ন জিনিস দিয়ে বাচ্চাগুলো তৈরি করেছে রাখি। দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই। এই হাট এবার তিনবছরে পা দিয়েছে। সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। তিনবছর আগে স্কুলের প্রধানোশিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের উদ্যোগে রাখি তৈরি শুরু হয়েছিল। ফেলে দেওয়া জিনিসপত্র, রঙিন কাপড় ও কাগজ, কড়ি, পুঁথি সহ বিভিন্ন জিনিস দিয়ে পড়ুয়ারা রাখি তৈরি করে। এবছর ৩০০ রাখি তৈরি করেছে। বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শশাডাঙা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা আসছেন রাখি কিনতে। প্রধানশিক্ষক বাবুলাল সরকার বলেন, ‘পড়ুয়াদের কর্মদক্ষতার বিকাশ ঘটাতে ও স্বনির্ভর করতে এই উদ্যোগ। রাখি বিক্রির টাকা পড়ুয়াদের শিক্ষার সরঞ্জাম কিনতে ও দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ব্যবহার করা হয়।’ নিজস্ব চিত্র