Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৬০০ কেজি রঙিন নুড়ি দিয়ে ২২ ফুটের ম্যাকাও, ইন্ডিয়া ও এশিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম কাকদ্বীপের ৩৮ পড়ুয়ার

৬০০ কেজি নুড়ি-পাথর দিয়ে ২২ ফুট লম্বা ও ৮ ফুট চওড়া ম্যাকাও পাখি বানাল ৩৮ ছাত্র-ছাত্রী। এই ভাস্কর্য তৈরি করে ইন্ডিয়া ও এশিয়া বুক অফ রেকর্ডসে জায়গা পেল কাকদ্বীপের ওই পড়ুয়ারা।

৬০০ কেজি রঙিন নুড়ি দিয়ে ২২ ফুটের ম্যাকাও, ইন্ডিয়া ও এশিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম কাকদ্বীপের ৩৮ পড়ুয়ার
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ : ৬০০ কেজি নুড়ি-পাথর দিয়ে ২২ ফুট লম্বা ও ৮ ফুট চওড়া ম্যাকাও পাখি বানাল ৩৮ ছাত্র-ছাত্রী। এই ভাস্কর্য তৈরি করে ইন্ডিয়া ও এশিয়া বুক অফ রেকর্ডসে জায়গা পেল কাকদ্বীপের ওই পড়ুয়ারা।

Advertisement

ইন্ডিয়া ও এশিয়া বুক অব রেকর্ডসের মানপত্র সম্প্রতি তাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। সোমবার একটি অনুষ্ঠানে ৩৮ জন তাদের নতুন সৃষ্টি মানুষের সামনে তুলে ধরে। কাকদ্বীপের একটি বিদ্যালয়ের মাঠে ২২ ফুট লম্বা ও ৮ ফুট চওড়া ম্যাকাওয়ের ভাস্কর্যটি তারা ফুটিয়ে তোলে। এলাকার বহু মানুষ উৎসাহিত হয়ে সেটি দেখতে আসেন। জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের একাধিক বিদ্যালয়ের ৩৮ পড়ুয়া একত্রিত হয়। তারা নতুন কিছু করবে বলে পরিকল্পনা করে। তারপর লম্বা লেজবিশিষ্ট উজ্জ্বল রঙের বিদেশি ম্যাকাওয়ের ভাস্কর্য তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেটি তৈরির জন্য তারা শৌখিন মাছের অ্যাকোয়ারিয়ামের ভিতর যে রঙিন নুড়ি-পাথর থাকে তা ব্যবহার করেছে। 
নবম শ্রেণির ছাত্র সুজয় দাস বলে, ‘কাকদ্বীপের ৩৮ পড়ুয়া একসঙ্গে ইন্ডিয়া ও এশিয়া বুক অফ রেকর্ডসে স্থান করে নিয়েছে। এই ঘটনা এই প্রথম। বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীরা একত্রিত হয়ে এটি তৈরি করেছি। সাদা পলিথিনের উপর বিভিন্ন রঙের নুড়ি-পাথর সাজিয়ে বানানো হয়েছে। তৈরি করতে লেগেছে কয়েক লক্ষ নুড়ি-পাথর। বিশাল আকৃতির এই ম্যাকাও তৈরি করতে প্রায় ছ’ঘণ্টা সময় লেগেছিল।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ