Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিষ্ণুপুর পুরসভায় দু’দিনে ৯ কাউন্সিলারের পদত্যাগ

বিষ্ণুপুর পুরসভায় দু’দিনে ৯ তৃণমূল কাউন্সিলারের পদত্যাগ। প্রশাসক বসানোর দাবি উঠেছে। বিস্তারিত পড়ুন।

বিষ্ণুপুর পুরসভায় দু’দিনে ৯ কাউন্সিলারের পদত্যাগ
  • ৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের পর এবার পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলারদের ইস্তফার হিড়িক চলছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান তাঁদের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। যদিও তাঁরা কাউন্সিলার পদ থেকে ইস্তফা দেননি। সম্প্রতি রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর থেকে বোর্ডের সদস্যদের শোকজ করা হয়। তার জবাব না দিয়েই তৃণমূল কাউন্সিলারদের ইস্তফার হিড়িক চলছে। শুক্রবার তিনজন কাউন্সিলার পদত্যাগ করেছেন। শনিবার ছ’জন কাউন্সিলার তাঁদের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এছাড়াও বাকি আরও কয়েকজন কাউন্সিলার আজ, মঙ্গলবার ইস্তফা দেবেন বলে জানা গিয়েছে।  

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯টি ওয়ার্ড বিশিষ্ট বিষ্ণুপুর পুরসভায় বিজেপির দু’জন, নির্দলের দু’জন, কংগ্রেসের একজনজন এবং ১৪জন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলার রয়েছেন। তার মধ্যে ১৩নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার অর্চিতা বিদ ২০২৩ সালে জেলা পরিষদের প্রার্থী হওয়ার সময় ইস্তফা দিয়েছেন। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের তিনজন এবং শনিবার কংগ্রেসের টিকিটে জেতার পরে তৃণমূলে আসা একজন সহ তৃণমূলের ছ’জন কাউন্সিলার ইস্তফা দেন। এছাড়াও ৭, ১৪ এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার বাকি রয়েছেন। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার রীতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষের রায় মেনে কাউন্সিলার পদ থেকে মঙ্গলবার ইস্তফা দেব।  
প্রসঙ্গত, বিষ্ণুপুর পুরসভায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদত্যাগ করার পর কর্মীদের বেতন থেকে ডুরু করে উন্নয়নমূলক কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে। এদিকে বোর্ড না ভাঙায় প্রশাসকও বসানো হয়নি। তাই পুরসভাকে সচল রাখার জন্য বোর্ড ভেঙে প্রশাসক বসানোর দাবিতে অনেকেই সোচ্চার হন। এদিকে নাগরিক পরিষেবায় ব্যর্থতার জন্য নিয়ম মেনে পরিচালন বোর্ডকে পুর ও নগরান্নোয়ন দপ্তরের তরফে শোকজ করা হয়েছে। এরপরেই তৃণমূল কাউন্সিলারদের পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও চাইছেন, পদ আগলে রেখে মানুষকে পরিষেবা থেকে বঞ্চিত করার কোনো মানে হয় না।  নাগরিকদের স্বার্থে যত দ্রুত সম্ভব বোর্ড ভেঙে প্রশাসক বসানো হোক।  ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ