Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১৫ বছরে নিষ্পত্তি ৮৭ শতাংশ মামলা, ক্রেতা ন্যায়বিচার সূচকে পঞ্চম স্থানে উঠে এল পশ্চিমবঙ্গ

দেশের বৃহৎ ও মাঝারি রাজ্যগুলির মধ্যে ক্রেতা ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেপশ্চিমবঙ্গ।

১৫ বছরে নিষ্পত্তি ৮৭ শতাংশ মামলা, ক্রেতা ন্যায়বিচার সূচকে পঞ্চম স্থানে উঠে এল পশ্চিমবঙ্গ
  • ২২ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশের বৃহৎ ও মাঝারি রাজ্যগুলির মধ্যে ক্রেতা ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেপশ্চিমবঙ্গ। ক্রেতা সুরক্ষা আইন অনুযায়ী সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের আগে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং কর্ণাটক। পশ্চিমবঙ্গের থেকে পিছিয়ে রয়েছে তামিলনাড়ু, অসম, উত্তরাখণ্ড, মহারাষ্ট্র, বিহার এবং গুজরাতের মতো রাজ্য। 

Advertisement

ইন্ডিয়া জাস্টিস রিপোর্টের সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, এরাজ্যে গত ১৫ বছরে (২০১০-২০২৪) দায়ের হওয়া ৩৫ হাজার ২০০টি মামলার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ৮৭ শতাংশের। এই সময়কালে অধিকাংশ মামলাই (১৩ শতাংশ) ছিল নির্মান শিল্প ও বিমা সংক্রান্ত। তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হল, ৫৪ শতাংশ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে এক থেকে পাঁচটি শুনানির মধ্যেই। কিন্তু কী এই ক্রেতা ন্যায়বিচার সূচক? ফ্ল্যাট বাড়ি থেকে শুরু করে যে কোনও পণ্য কেনা-বেচার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের রক্ষাকবচ হল ক্রেতা সুরক্ষা আইন। প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ উঠলে এই ক্রেতা সুরক্ষা আইনকে সামনে রেখেই তাঁরা ন্যায়বিচার জন্য দ্বারস্থ হন। স্বাভাবিক ভাবেই এই সংক্রান্ত মামলার নিস্পতির উপর নির্ভর করে ক্রেতাদের ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়টি। মোট মামলার মধ্যে কতগুলি মামলার নিস্পতি হল, তার উপর নির্ভর করেই তৈরি হয় ক্রেতা ন্যায়বিচার সূচক। সেই সঙ্গে দেখা হয় ন্যায়বিচার দেওয়ার জন্য পরিকাঠামো, মানবসম্পদ এবং ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনগুলির কার্যক্ষমতাও।  এই রিপোর্টে ২১ শতাংশ মামলা বৃদ্ধি হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে আশাব্যঞ্জক বিষয় হল, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় কমিশন গঠন হওয়া। ২০২১ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত প্রতিবছর ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনগুলির সভাপতির পদ পূর্ণ ছিল। ২০২৫ সালে মোট ৩৫টি পদের মধ্যে ৩৪টি পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। গড়ে একটি মামলা নিষ্পত্তি করতে সময় লেগেছে ৪৬১ দিন। সামগ্রিকভাবে পশ্চিমবঙ্গ ক্রেতা ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও মামলার জট ছাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেই এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ