Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উত্তরবঙ্গে চা শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দ ৩১৩ কোটি! সমাজ মাধ্যমে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্য সরকার চা শ্রমিকদের উন্নয়নে ৩১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

উত্তরবঙ্গে চা শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দ ৩১৩ কোটি! সমাজ মাধ্যমে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
  • ৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৩৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: রাজ্যের চা শ্রমিকদের সার্বিক উন্নয়নে ৩১৩ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। রবিবার সকালে সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খাতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় চা শ্রমিক উন্নয়ন প্রকল্পে এবার পশ্চিমবঙ্গও যোগ হচ্ছে। শনিবার অনুষ্ঠিত রাজ্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের ফলে চা বাগান এলাকার শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এই প্রকল্প।

Advertisement

শুভেন্দু অধিকারী এদিন তাঁর সমাজ মাধ্যমে জানান, 'আমরা উত্তরবঙ্গের পরিশ্রমী চা বাগানের শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণ, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষাগত ক্ষেত্রের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দ্রুত এবং নির্বিঘ্ন অগ্রগতি নিশ্চিত করার জন্য, আমাদের রাজ্য স্তরের কমিটি সম্প্রতি 'প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক প্রোৎসাহন যোজনা' প্রকল্পের বাস্তবায়ন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। মোট ৩১৩.৩০ কোটি টাকার আর্থিক বরাদ্দের মাধ্যমে, আমরা আমাদের 'চা শ্রমিকদের' জীবনে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছি।

কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে তাও তিনি সমাজ মাধ্যমে জানিয়েছেন। চা-শ্রমিক পরিবারের শিক্ষা পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য 'চা শ্রমিক শিক্ষা যোজনায়' বরাদ্দ করা হয়েছে ১৭৭ কোটি টাকা, চা-বাগান এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী করতে এবং চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নয়নে 'চা শ্রমিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা যোজনার' জন্য ৭২ কোটি টাকা, 'চা শ্রমিক আশ্রয় যোজনার' অধীনে মোট ৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে ৩২১টি বিশ্রামাগার যার মধ্যে পাহাড়ে ৮৮টি এবং সমতলে ২৩৩টি। প্রতিটি বিশ্রামাগারে থাকবে অফ-গ্রিড সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানীয় জল, বসার সুব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত সিরামিক-ফ্লোরযুক্ত শৌচাগার। 

মুখ্যমন্ত্রী আরো জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর। স্বাস্থ্য দফতর, পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশন এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ