


বেঙ্গালুরু: বিমান যাত্রায় চরম ভোগান্তি। বেঙ্গালুরু থেকে গন্তব্য নেপালের কাঠমান্ডু। দ্বিতীয় দিনেও গন্তব্যে পৌঁছতে পারল না বিমান। প্রথমে বৃহস্পতিবার, পরে শুক্রবার। ত্রিশ ঘণ্টা কাটল বিমানেই। এই ঘটনায় যাত্রীদের প্রবল ক্ষোভ আছড়ে পড়ল বিমানবন্দরের টার্মিনালে। প্রথমে বৃহস্পতিবার। বেঙ্গালুরু বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরুর পর কাঠমাণ্ডুতে অবতরণ না করেই ফিরে আসে বেসরকারি এক এয়ারলাইন্সের বিমান। তবে কেন কাঠমাণ্ডুতে অবতরণ করানো হচ্ছে না, তা যাত্রীদের জানানো হয়নি। ওইদিন সকাল সাড়ে দশটায় বেঙ্গালুরু থেকে কাঠমাণ্ডু রওনা দেয় বিমানটি। তবে নেপালে পৌঁছানোর পর অবতরণ না করেই বেঙ্গালুরু ফিরে আসে। পরে শুক্রবার সকালে ফের কাঠমাণ্ডুর উদ্দেশে রওনা দেয় ওই বিমান। তবে আকাশে ঘোরার পর সেটি ফের অবতরণ না করে ফিরে আসে। তবে এবার বিমানটি অবতরণ করানো লখনউয়ে। যদিও যাত্রীদের বিমান থেকে বেরোতে দেওয়া হয়নি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানে বসিয়ে রাখা হয়। শেষপর্যন্ত বিমানের ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন যাত্রীরা। এরপর যাত্রীদের বেঙ্গালুরুতেই ফিরিয়ে আনা যাত্রীদের। সেখানে পৌঁছে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন এলাকার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। এক যাত্রী বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমাদের বিমানের ভিতরে বসিয়ে রাখা হয়। অথচ বলা হয়নি যে কেন গন্তব্যে পৌঁছানো গেল না। এক বিক্ষোভকারী বলেন, অন্তত ৩০ ঘণ্টা বিমানের মধ্যেই আটকে থাকতে হয়। বেশিরভাগই পর্যটক। ৪০ জন কন্নড়ভাষির এক দল ছুটি কাটাতে নেপাল যাচ্ছিলেন। তাঁরা সকলেই বলেন, এয়ারলাইন্সের গাফিলতির জন্যই নেপাল সফর বাতিল করতে হল।