Bartaman Logo
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেজিয়ায় বাড়ি থেকে ২৭৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ধৃত যুবক

সোমবার ভোরে রেকর্ড পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। এদিন মেজিয়ায় অভিযান চালিয়ে ২৭৫কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

মেজিয়ায় বাড়ি থেকে ২৭৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ধৃত যুবক
  • ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: সোমবার ভোরে রেকর্ড পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। এদিন মেজিয়ায় অভিযান চালিয়ে ২৭৫কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সেইসঙ্গে নগদ সাতলক্ষ টাকাও উদ্ধার হয়। এঘটনায় এক যুবক গ্রেপ্তার হয়েছে। যদিও তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তার পরিচয় প্রকাশ করেনি।

Advertisement

এদিন দুপুরে বাঁকুড়া পুলিশ লাইনের কনফারেন্স হলে সাংবাদিক সম্মেলন হয়। সেখানে পুলিশ সুপার পিভিজি সতীশ বলেন, বাজেয়াপ্ত গাঁজার অন্ধকার জগতে দাম দেড় কোটি টাকা। এদিন ভোরে মেজিয়া থানা ও জেলা পুলিশের অপরাধ মোকাবিলা শাখার যৌথ অভিযানে এই গাঁজা ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এঘটনায় মেজিয়ার এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বাড়িতেই ওই বিপুল পরিমাণ গাঁজা মজুত করা ছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, ওড়িশা থেকে মেজিয়ায় ওই গাঁজা এনে মজুত করা হয়েছিল। তা বাঁকুড়ার পাশাপাশি আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল। ধৃত যুবক আন্তঃরাজ্য গাঁজা পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত। তার বাড়ি থেকে ৫-১০কেজির ছোট ছোট প্যাকেটে ভরে বাইক বা অন্য যানবাহনে গাঁজা পাচার চলত। দুই বর্ধমান, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার গাঁজা কারবারিদের তা সরবরাহ করা হত। ওই পাচারচক্রের কিংপিন এরাজ্যের পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড, বিহার ও ওড়িশায় কারবার চালায়। দফায় দফায় ওড়িশা থেকে এরাজ্যে গাঁজা আনা হয়। পুরুলিয়া হয়ে মেজিয়ায় গাঁজা আনা হয়েছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।
এসপি আরও জানান, গত কয়েকদিনে বড়জোড়ার মানাচর, গঙ্গাজলঘাটি ও বাঁকুড়া শহর থেকে ১০কেজিরও বেশি গাঁজা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। আগামী দিনেও এমন অভিযান চলবে। গ্রেপ্তারের পাশাপাশি গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হবে।
বারবার বাঁকুড়া জেলায় গাঁজা উদ্ধারে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রশ্ন উঠেছে, বাঁকুড়া কি গাঁজা পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে? এবিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, বাঁকুড়ায় গাঁজা আমদানি করা হলেই আমরা বাজেয়াপ্ত করছি। তাই পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্য বলা যায় না। গাঁজার পাশাপাশি সম্প্রতি জেলার কিছু জায়গায় চোলাই ও তা তৈরির সরঞ্জাম নষ্ট করা হয়েছে। সবমিলিয়ে, ১৫হাজার লিটার তরল আমরা নষ্ট করেছি। গাঁজা, চোলাই সহ মাদকের বিরুদ্ধে জেলার প্রতিটি থানায় কঠোর নজরদারি চলছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ