Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২০২৪-২৫ সালের রিপোর্ট: আয়বৃদ্ধিতে ব্যর্থ একাধিক পঞ্চায়েত, অসন্তুষ্ট দফতর

গ্রাম পঞ্চায়েত মূল্যায়নে গতবারের থেকে এবার সার্বিক ‘পাশের হার’ বেড়েছে। মোট সাতটি বিভাগের পরীক্ষায় ছটিতে কমবেশি ভালো ফল হলেও নিজস্ব আয়বৃদ্ধি বিভাগে এখনও আশানুরূপ ফল হচ্ছে না।

২০২৪-২৫ সালের রিপোর্ট: আয়বৃদ্ধিতে ব্যর্থ একাধিক পঞ্চায়েত, অসন্তুষ্ট দফতর
  • ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গ্রাম পঞ্চায়েত মূল্যায়নে গতবারের থেকে এবার সার্বিক ‘পাশের হার’ বেড়েছে। মোট সাতটি বিভাগের পরীক্ষায় ছটিতে কমবেশি ভালো ফল হলেও নিজস্ব আয়বৃদ্ধি বিভাগে এখনও আশানুরূপ ফল হচ্ছে না। এবারও বহু পঞ্চায়েত এই বিভাগে ‘ফেল’ করেছে। তার ফলে সার্বিকভাবে জেলাগুলির পাশের হারে প্রভাব পড়েছে। আয়বৃদ্ধি করা নিয়ে সমস্ত পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের বারবার বোঝানো থেকে শুরু করে কর্মশালা করা পর্যন্ত অনেক কিছুর উদ্যোগ নিয়েছিল পঞ্চায়েত দফতর। তবু এক শ্রেণির পঞ্চায়েত কেন এই বিভাগে উত্তীর্ণ হতে পারল না সেটাই ভাবাচ্ছে আধিকারিকদের। খোঁজ করে দেখা গিয়েছে, যারা এই বিভাগে ফেল করেছে, তাদের অনেকেই সম্পত্তিকর ঠিকমতো আদায় করতে পারছে না। আর এই ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছে দপ্তর। জানা গিয়েছে, এই বিভাগের অনুত্তীর্ণ পঞ্চায়েতগুলি আয়ের থেকে ব্যয় হয়েছে বেশি। নিজস্ব রোজগারের সেরকম কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি। দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বাঁকুড়ার বড়জোড়া ব্লকের ঘুটঘরিয়া পঞ্চায়েত, বীরভূমের নানুর ব্লকের কীর্ণাহার ২, হাওড়ার ডোমজুড়ের মাকড়দহ ১, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ১ ব্লকের কোশীগ্রামের মতো এরকম বহু পঞ্চায়েতের আয়বৃদ্ধির বদলে বাড়তি টাকা খরচ হয়েছে। এদের কারও দাবি, মানুষ ঠিকমতো কর দেয়নি। কেউ আবার জানিয়েছে, যথাযথ পরিকল্পনা নেওয়া যায়নি।

Advertisement

দফতরের এক আধিকারিক বলেন, অনেক পঞ্চায়েত কয়েকগুণ আয়বৃদ্ধি করেছে। তাহলে এরা পারল না কেন? আয়বৃদ্ধি না-হলে পঞ্চায়েত চালাতে সমস্যা হতে পারে।
এই ফলাফলের পর দফতর থেকে আরও বেশি করে নিজস্ব আয়বৃদ্ধি নিয়ে জেলা প্রশাসনকে তাদের পঞ্চায়েতগুলির সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দিয়েছে দফতর।
সার্বিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, এবারে ৮৩ শতাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত উত্তীর্ণ হয়েছে। গতবার সেটা ছিল ৭৯ শতাংশ। যদিও সাত জেলায় পাশের হার আগেরবারের থেকে কমেছে। এই তালিকায় রয়েছে পশ্চিম বর্ধমান, নদীয়া, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, দার্জিলিং এবং উত্তর ২৪ পরগনা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিশেষ সফলদের মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদসহ কয়েকটি জেলা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ