নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গ্রাম পঞ্চায়েত মূল্যায়নে গতবারের থেকে এবার সার্বিক ‘পাশের হার’ বেড়েছে। মোট সাতটি বিভাগের পরীক্ষায় ছটিতে কমবেশি ভালো ফল হলেও নিজস্ব আয়বৃদ্ধি বিভাগে এখনও আশানুরূপ ফল হচ্ছে না। এবারও বহু পঞ্চায়েত এই বিভাগে ‘ফেল’ করেছে। তার ফলে সার্বিকভাবে জেলাগুলির পাশের হারে প্রভাব পড়েছে। আয়বৃদ্ধি করা নিয়ে সমস্ত পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের বারবার বোঝানো থেকে শুরু করে কর্মশালা করা পর্যন্ত অনেক কিছুর উদ্যোগ নিয়েছিল পঞ্চায়েত দফতর। তবু এক শ্রেণির পঞ্চায়েত কেন এই বিভাগে উত্তীর্ণ হতে পারল না সেটাই ভাবাচ্ছে আধিকারিকদের। খোঁজ করে দেখা গিয়েছে, যারা এই বিভাগে ফেল করেছে, তাদের অনেকেই সম্পত্তিকর ঠিকমতো আদায় করতে পারছে না। আর এই ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছে দপ্তর। জানা গিয়েছে, এই বিভাগের অনুত্তীর্ণ পঞ্চায়েতগুলি আয়ের থেকে ব্যয় হয়েছে বেশি। নিজস্ব রোজগারের সেরকম কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি। দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বাঁকুড়ার বড়জোড়া ব্লকের ঘুটঘরিয়া পঞ্চায়েত, বীরভূমের নানুর ব্লকের কীর্ণাহার ২, হাওড়ার ডোমজুড়ের মাকড়দহ ১, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ১ ব্লকের কোশীগ্রামের মতো এরকম বহু পঞ্চায়েতের আয়বৃদ্ধির বদলে বাড়তি টাকা খরচ হয়েছে। এদের কারও দাবি, মানুষ ঠিকমতো কর দেয়নি। কেউ আবার জানিয়েছে, যথাযথ পরিকল্পনা নেওয়া যায়নি।



