Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

উত্তরপ্রদেশে মা-স্ত্রীকে খুন করে মাথা খুবলে খেল যুবক, গ্রেপ্তার

সোমবার সকাল। পাশের বাড়ি থেকে চেঁচামেচির আওয়াজ পেয়ে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। এরপরের দৃশ্য কল্পনাতীত। বাড়ির ছাদের মেঝে রক্তে ভেসে গিয়েছে। নিথর অবস্থায় পড়ে দুই মহিলা।

উত্তরপ্রদেশে মা-স্ত্রীকে খুন করে মাথা খুবলে খেল যুবক, গ্রেপ্তার
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

লখনউ: সোমবার সকাল। পাশের বাড়ি থেকে চেঁচামেচির আওয়াজ পেয়ে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। এরপরের দৃশ্য কল্পনাতীত। বাড়ির ছাদের মেঝে রক্তে ভেসে গিয়েছে। নিথর অবস্থায় পড়ে দুই মহিলা। তাদের খুলি ফাটিয়ে আশপাশ থেকে মাংস ছিঁড়ে খাচ্ছে যুবক! তার সারা মুখ রক্তে মাখা। প্রতিবেশীদের দেখে এক টুকরো মাংস তাঁদের দিকেও ছুঁড়ে দেয় সে। আঁতকে উঠে পড়িমড়ি দৌড়ে পালিয়ে যান তাঁরা। উত্তরপ্রদেশের কুশিনগর জেলার পার্সা গ্রামের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ গ্রামে এসে সিকন্দর গুপ্তা নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। নিহত দুই মহিলা সিকন্দরের মা ও স্ত্রী। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, মাদকাসক্ত সিকন্দরের সঙ্গে তার মা ও স্ত্রীয়ের ঝামেলা লেগেই থাকত। মা রুণা দেবী ও স্ত্রী প্রিয়াঙ্কাকে মারধরের পাশাপাশি খুনেরও হুমকি দিত সে। দুই মহিলাকে খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেইসঙ্গে নরমাংস ভক্ষণের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মুম্বইয়ে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সিকন্দর। মাসখানেক আগে বাড়ি ফিরেছিল। প্রায়ই গাঁজা-মদ খেয়ে মা ও বউয়ের উপর অত্যাচার চালাত সে। সোমবার ঝামেলা চরমে পৌঁছয়। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে বাড়িতে ঢোকেন প্রতিবেশীরা। তারপরই এমন ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী হন তাঁরা। 
তদন্তে সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন বাড়ির ছাদে প্রথমে মা ও স্ত্রীকে লাঠিপেটা করে সিকন্দর। এরপর সিমেন্টের চাঁই দিয়ে তাঁদের মাথায় বারবার আঘাত করতে থাকে। এর জেরে মাথার খুলি ফেটে যায়। পরে সেখান থেকেই মাংস ছিঁড়ে খেতে শুরু করে। ধৃতের বিরুদ্ধে জোড়াখুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের কথায়, অত্যধিক নেশার জেরে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিল ওই যুবক। ক্যানিবলিজম তথা নরমাংস ভক্ষণের নেপথ্যের কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য,  শনিবার বিকেলে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের দিনহাটার একটি ঘটনা ঘিরে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। নরমাংসের স্বাদ নিতে এক ভবঘুরেকে খুন করেছে মাদকাসক্ত যুবক। ইতিমধ্যে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ