নয়াদিল্লি: ত্রিপুরা থেকে দিল্লিতে পড়তে এসেছিলেন। মেধাবী পড়ুয়া। একইসঙ্গে পড়াশোনা আর ইন্টার্নশিপ সামলাতেন। দিনছ’য়েক নিখোঁজ থাকার পর রবিবার উদ্ধার হয়েছে স্নেহা দেবনাথের দেহ। মৃত্যুর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে আত্মহত্যা। নেপথ্যে স্নেহার লেখা একটি সুইসাইড নোট। যদিও এই ‘নোট’ এর নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে তাঁর পরিবার। মেয়ের সম্পর্কে বলতে গিয়ে তাদের দাবি, সবদিক দিয়ে সফল ছিলেন স্নেহা। কমবয়সে রোজগার শুরু করেছিলেন। পরিবারের কারও থেকে টাকা নিতেন না। জানা গিয়েছে, দিল্লির এক কলেজে স্নাতক স্তরের ছাত্রী ছিলেন স্নেহা। বিষয় ছিল অঙ্ক। এছাড়া আইআইটি মাদ্রাজ থেকে ডেটা সায়েন্স ও প্রোগ্রামিংয়ের উপর একটি কোর্স করছিলেন। সেইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার এক সংস্থায় ইন্টার্নশিপ। এমন মেধাবী পড়ুয়া কেন আত্মহত্যা করবেন? কী এমন হল যে নিজেকে শেষ করার মতো সিদ্ধান্ত নিলেন স্নেহা? উত্তর খুঁজতে হয়রান স্নেহার কাছের মানুষরা। নিহত ছাত্রীর বন্ধুমহল অবশ্য অন্য আশঙ্কার কথা বলছে। তাদের দাবি, কয়েকমাস ধরেই হতাশায় ভুগছিলেন স্নেহা। সম্ভবত পারিবারিক কোনও বিষয় নিয়েই চিন্তায় ছিলেন। তবে এই কারণ আদৌ আত্মহত্যার জন্য দায়ী কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও পুলিসি তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে স্নেহার পরিবার।



