তিন মুঠো তণ্ডুল
তিন মুঠো তণ্ডুল
বাল্যসখা শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে দেখা করতে বৃন্দাবন থেকে সুদূর দ্বারকায় এলেন সুদামা। দরিদ্র ব্রাহ্মণ সুদামা প্রিয়তম সখার জন্য কাপড়ের পুটুলিতে বেঁধে এনেছেন তিন মুঠো তণ্ডুল বা চাল। সেই তণ্ডুল পরম তৃপ্তিতে গ্রহণ করলেন শ্রীকৃষ্ণ। সুদামা তাঁর দারিদ্রের কথা গোপন রাখলেন। কিন্তু কৃষ্ণের অজানা কিছু নয়। তিনি যে অন্তর্যামী। সুদামা ফিরে এলেন বৃন্দাবনে। অবাক হলেন। কোথায় তাঁর পর্ণকুটির? সেখানে যে এক আশ্চর্য সুন্দর বাসগৃহ শোভা পাচ্ছে। আর সেই বাসগৃহের ভিতরে রয়েছেন স্ত্রী বসুন্ধরা ও সন্তানরা।
পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেই সুদামার দারিদ্র্য দূর করে তাঁকে উপহারস্বরূপ অঢেল সম্পদ দান করেন বাল্যসখা শ্রীকৃষ্ণ।
একটিমাত্র চালের দানা
মহাভারতে আছে, কৌরবদের কাছে পাশা খেলায় হেরে বারো বছরের জন্য বনবাস ও এক বছরের জন্য অজ্ঞাতবাসে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন পাণ্ডবেরা। তাঁদের বনবাসে থাকার সময়ে ফের কৌরবদের চক্রান্তে মুনি দুর্বাসা তাঁর শিষ্যদের নিয়ে এক রাতে পাণ্ডবদের আশ্রয় গ্রহণ করতে যান।
কিন্তু সেই সময় তাঁদের ঘরে কোনও অন্ন ছিল না। ক্ষুধার্ত মুনি দুর্বাসা অভিশাপ দেবেন ভেবে ভয় পান পঞ্চপাণ্ডব ও দ্রৌপদী। ঠিক সেই সময়ে শ্রীকৃষ্ণ এসে হাঁড়ির তলায় লেগে থাকা একটিমাত্র চালের দানা খেয়ে নেন। আর অবাক করার মতো বিষয়, তাতেই পেট ভরে যায় দুর্বাসা ও তাঁর শিষ্যদের। দুর্বাসার অভিশাপ থেকে অক্ষয় তৃতীয়ার দিনই পাণ্ডবদের রক্ষা করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ।
অক্ষয় পাত্র দান
পৌরাণিক কথা অনুসারে, শ্রীকৃষ্ণের কাছে অক্ষয় তৃতীয়ার মাহাত্ম্য জানতে চান রাজা যুধিষ্ঠির। এর উত্তরে কৃষ্ণ বলেছিলেন এই দিনের মাহাত্ম্য অনন্ত। সূর্য ভগবান বনবাসের সময় যুধিষ্ঠিরকে অক্ষয় পাত্র দান করেছিলেন।
অক্ষয় তৃতীয়ার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আরও একটি ঘটনা। এই দিনই দ্রৌপদীর লজ্জা নিবারণ করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। মহাভারতের রচনা শুরু হয়েছিল এইদিনই। মহর্ষি বেদব্যাস মুখে মুখে বলছেন। গণেশ লিখে চলেছেন। একই আধারে কাব্য, পুরাণ ও ইতিহাস হল হিন্দুদের এই মহাগ্রন্থ। এইজন্যই মহাভারত হল মহাকাব্য। পঞ্চম বেদ হিসেবে স্বীকৃত।
উগ্রতেজা মহাক্রোধী ব্রাহ্মণ
পরশুরামের পিতা জমদগ্নি। মাতা রেণুকা। জমদগ্নি ব্রাহ্মণ ছিলেন। রেণুকা ছিলেন ক্ষত্রিয়কন্যা। সেই কারণে পরশুরাম জন্মসূত্রে ব্রাহ্মণ হলেও প্রবল ক্ষাত্রতেজসম্পন্ন ছিলেন। তাঁর সঙ্গে সুরভী নামের এক গাভীর অধিকার নিয়ে কার্তবীর্যার্জুন নামে এক মহাপরাক্রমশালী ক্ষত্রিয় অধিপতির তীব্র দ্বন্দ্ব হয়। যুদ্ধে পরশুরাম কার্তবীর্যার্জুনকে পরাজিত করেন এবং তাঁকে হত্যা করেন। কিন্তু রাজন্য হত্যার পাপ তাঁর উপরে এসে পড়ে। পিতা জমদগ্নির নির্দেশে তিনি পাপস্খলনের জন্য তীর্থভ্রমণে বের হন।
অন্যদিকে কার্তবীর্যার্জুনের হত্যার প্রতিশোধ নিতে ক্ষত্রিয় রাজারা একত্র হন এবং পরশুরামের অনুপস্থিতিতে পিতা জমদগ্নিকে হত্যা করেন। ক্রুদ্ধ পরশুরাম একুশ বার পৃথিবীকে একা হাতে ক্ষত্রিয়শূন্য করেন। পরে তাঁর মনে পরিতাপ আসে এবং তিনি প্রব্রজ্যা গ্রহণ করেন। ‘দেবী ভাগবত’, ‘বিষ্ণুপুরাণ’ ও ‘বায়ুপুরাণে’ পরশুরামের জন্ম সংক্রান্ত বিভিন্ন কিংবদন্তি পাওয়া যায়। মহাভারতে তাঁকে উগ্রতেজা মহাক্রোধী ব্রাহ্মণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোনও কোনও আখ্যানে তাঁকে পিতার আদেশে মাতৃহত্যা করতেও দেখা যায়। যদিও জমদগ্নি রেণুকাকে পুনর্জীবিত করেন। তবু সেই মাতৃহত্যার পাপে তাঁর ‘পরশু’ বা কুঠার রক্তরঞ্জিতই থেকে যায়।
বহু তীর্থে স্নান করে সেই কুঠার ধুলেও তা থেকে মাতৃরক্ত মুছে ফেলা যায়নি। অবশেষে কর্ণাটকে তুঙ্গভদ্রা নদীর জলে স্নান করার পর সেই কুঠার কলুষমুক্ত হয়। মহাভারতে পরশুরাম ভীষ্ম ও কর্ণের অস্ত্রগুরু। কিংবদন্তি ও পুরাণ মতে, পরশুরামের জন্ম চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্লা তৃতীয়া তিথিতে। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন। ওইদিন নানা জায়গায় ‘পরশুরাম জয়ন্তী’ পালিত হয়।
অন্ন ও জলদান
দাম্ভিক, অহংকারী এক ব্রাহ্মণ। তিনি কাউকেই কোনওভাবে সাহায্য করতেন না। একদিন ক্ষুধার্ত-পিপাসার্ত এক ব্যক্তি তাঁর কাছে করজোড়ে দাঁড়িয়ে কাতর ভাবে জল ও খাবার চাইলেন। কিন্তু ওই ব্রাহ্মণ কোনও কিছু না দিয়েই ক্ষুধার্ত-পিপাসার্ত ব্যক্তির মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিলেন। তারপর বন্ধ ঘরের ভিতর থেকে গলা তুলে বললেন যে, তাঁর ঘরে খাবার-দাবার, জল দেওয়ার মতো কিছুই নেই। ক্ষুধার্ত-পিপাসার্ত ব্যক্তি যেন ফিরে যান।
ব্রাহ্মণ নিষ্ঠুর। তবে ব্রাহ্মণ-পত্নী ছিলেন দয়াবতী। তিনি সমস্তকিছু দেখে স্থির থাকতে পারলেন না। স্বামীর নিষেধ অমান্য করে ক্ষুধার্ত-পিপাসার্ত ব্যক্তিটিকে অন্ন ও জলদান করলেন। পেলেন ওই ব্যক্তির আশীর্বাদ।
কথায় আছে, চিরদিন কারও সমান যায় না। একদিন মৃত্যু হল ব্রাহ্মণের। মৃত্যুর পর তাঁর বিদেহী আত্মার ঠাঁই হল যমলোকে। সেখানে খাবার ও জল ছাড়া নিদারুণ কষ্টে দিন কাটতে লাগল তাঁর আত্মার। অবশেষে একসময় যমলোক থেকে আত্মার মুক্তি ঘটে। সেটা অবশ্য তাঁর পত্নীর পুণ্যকর্মের জন্য।
একদিন ব্রাহ্মণ পুনর্জন্ম লাভ করলেন। নতুন জন্মে তিনি অক্ষয় তৃতীয়ার ব্রত ভক্তিভরে পালন করে যশস্বী হলেন। সামিল হলেন অন্ন ও জলদানের মতো পুণ্য কর্মে। এইভাবে বিগত জন্মের পাপস্খলন হল তাঁর। পুরাণে আছে এই ঘটনার উল্লেখ।
সত্যযুগের শুরু
পণ্ডিতদের মতে, সত্যযুগের সূচনা হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়। কৃষিপ্রধান দেশ ভারতে অনেক জায়গায় উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অক্ষয় তৃতীয়ার দিনটিতে ধরিত্রীদেবীর পুজো পালন করা হয়। বিভিন্ন হিন্দুশাস্ত্রে শুক্লা তৃতীয়ার এই দিনটির অশেষ পবিত্রতার কথা বলা হয়েছে। ‘অক্ষয়’ শব্দের অর্থ যার কোনও ক্ষয় নেই। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী এই তৃতীয়া তিথি ক্ষয়হীন। অর্থাৎ যার ফল কখনও নষ্ট হয় না। তাই এমনই দিনে দান ও গঙ্গা স্নানের মাহাত্ম্য অসীম।
যে কোনও শুভ কাজের আদর্শ দিন অক্ষয় তৃতীয়া। এইদিন পুজোপার্বণ, যজ্ঞ, যপতপ সমস্ত কর্মের ফল অনন্ত ও অক্ষয় হয়। জাতিধর্ম নির্বিশেষে জলদান ও অন্নদান অক্ষয় তৃতীয়ার অন্যতম অঙ্গীকার। শাস্ত্র অনুযায়ী অক্ষয় তৃতীয়া যদি সোমবার অথবা বুধবার হয় এবং এর সঙ্গে রোহিণী নক্ষত্র যুক্ত হলে, সেই অক্ষয় তৃতীয়া তিথি শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হয়।
হালখাতার পুজো
অনেকেই ব্যবসা বাণিজ্য সূচনা করেন অক্ষয় তৃতীয়ার দিন। পয়লা বৈশাখের পরে এই দিনে সাড়ম্বরে করা হয় হালখাতার পুজো। দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সিদ্ধিদাতা গণেশ ও ধন-সম্পদের দেবী মা লক্ষ্মীর পুজো অত্যন্ত ভক্তিভরে করা হয়। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে আপ্যায়িত করা হয় অতিথিদের। নতুন কিছু শুরু করতে চাইলে অক্ষয় তৃতীয়ার থেকে শুভ দিন আর কিছু হতে পারে না।
দেবপ্রতিষ্ঠা, বিবাহ, মুণ্ডন সংস্কার, গৃহপ্রবেশ, সম্পত্তি ক্রয়, গৃহনির্মাণ প্রভৃতি নানা ধরনের শুভ কাজের ক্ষেত্রে অক্ষয় তৃতীয়া দিনটির কোনও বিকল্প নেই। এইদিন অনেকেই সোনার গহনা কেনেন। জানা যায়, এইদিনই মা লক্ষ্মীর আরাধনা করে বিপুল ধন-সম্পত্তির অধিকারী হয়েছিলেন ধনের দেবতা কুবের।
বিষ্ণুর আরাধনা
ভগবান বিষ্ণু এবং মা লক্ষ্মীর পুজো অক্ষয় তৃতীয়ায় বিশেষ ফলবতী হয়। স্নানের পর হলুদ বস্ত্র পরে ঠাকুরঘরে বিষ্ণু ও লক্ষ্মীকে গঙ্গাজলে স্নান করিয়ে পুজোর্চনার আয়োজন করা হয়। বিষ্ণুর প্রিয় তুলসীপাতা বিনা স্নানে তোলা অনুচিত। তাতে লক্ষ্মীদেবী অসন্তুষ্ট হন। তুলসী ও হলুদ ফুলের মালা পরিয়ে হলুদ আসনে বসে উত্তরদিকে মুখ করে একাগ্রচিত্তে বিষ্ণুর আরাধনা ও বিষ্ণুপুজো করতে হয়।
পুজোর সময় অন্যের অনিষ্ট চিন্তা করা অনুচিত। এতে ব্যাহত হয় পুজোর মূল উদ্দেশ্য। নিষ্ঠার সঙ্গে করতে হয় বিষ্ণুসহস্রনাম এবং বিষ্ণুচালিশা পাঠ। বিষ্ণু এবং মা লক্ষ্মীকে যবের ছাতু, জলে ভেজানো ঠান্ডা কাঁকরি ও ভেজা চানার ডাল ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হয়। দেওয়া হয় ছানা ও নানারকম মিষ্টান্ন। বৈশাখের প্রচণ্ড দাবদাহে ঠান্ডা ভোগই পছন্দ ত্রি-জগৎপতি শঙ্খচক্র গদাধর পীতাম্বর শ্রীহরির। শেষে বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর আরতি। ছাতুর প্রসাদ বিতরণ।
মা গঙ্গার মর্ত্যে অবতরণ
অক্ষয় তৃতীয়ার সীমাহীন মাহাত্ম্য স্বল্প কথায় শেষ হওয়ার নয়। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী এইদিন ভগবান নরনারায়ণ, শ্রীশ্রী হয়গ্রীব মাধব, শ্রীশ্রীধূমাবতীদেবীর এই ভূমণ্ডলে আবির্ভাব ঘটে। তাই দশমহাবিদ্যার অন্যতম শ্রীশ্রীধূমাবতীদেবীর পুজো করেন অনেকেই।
অক্ষয় তৃতীয়ায় মা গঙ্গার মর্তে অবতরণ হয়েছিল। এইদিন শিব, গঙ্গা, কৈলাস, হিমালয় ও ভগীরথের পুজোও হয়। বিবাহিত মহিলারা এদিন শিবমন্দিরে স্বামীদের দীর্ঘায়ু কামনা করে কায়মনোবাক্যে পুজো করেন।
জগন্নাথদেবের রথনির্মাণ
অক্ষয় তৃতীয়ায় পুরীধামে জগন্নাথদেবের ৪২ দিন ব্যাপী চন্দনযাত্রার সূচনা হয়। জগন্নাথদেবের রথনির্মাণের সূচনাও হয় এইদিন। শেষ হয় আষাঢ়ের শুক্লা দ্বিতীয়ার আগে। অর্থাৎ রথযাত্রার একদিন আগে। পুরীর জগন্নাথদেবের শ্রীমন্দির থেকে জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রার তিনটি আজ্ঞামালা নিয়ে আসেন তিনজন পান্ডা। রথ নির্মাণ শুরু করার জগন্নাথদেবের নির্দেশ আজ্ঞামালার মাধ্যমে পৌঁছে যায় পুজোস্থলে। যেখানে জগন্নাথদেবের চন্দনযাত্রা এসে থামে, সেই জায়গায় রথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
জগন্নাথদেবের আচার-আচরণ কল্পনা করা হয় একজন সাধারণ মানুষের মতোই। গরমের সময় পুকুর অথবা নদীর ঠান্ডা হাওয়ায় আমাদের যেমন আরামবোধ হয়, তেমনই জগন্নাথ মহাপ্রভু নরেন্দ্র সরোবরে হাওয়া খেতে যান। এই সরোবরে তাঁর চন্দনযাত্রা উৎসব খুব ধুমধামের সঙ্গে পালিত হয়। জগন্নাথদেবের উৎসব মূর্তির শ্রীঅঙ্গে চন্দনের প্রলেপ পড়ে। অত্যধিক গরমে শ্রীঅঙ্গে চন্দনের প্রলেপে আরাম হয়। নারকেল গাছ ও অন্য গাছ-গাছালিতে ঘেরা নরেন্দ্র সরোবরের সুশীতল জলে ভাসে সুসজ্জিত ময়ূরপঙ্খী নৌকা। জগন্নাথদেবের নৌ-বিহার দেখতে বহু ভক্তের সমাগম হয় সরোবরের চারদিকে। সরোবরের মাঝখানে সুদৃশ্য মন্দিরে জগন্নাথদেব, বলভদ্র ও সুভদ্রার উৎসব মূর্তির প্রতিদিন পুজোর্চনা হয়। নবদ্বীপধামে শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর চন্দনযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কলকাতা সহ গৌড়ীয় মঠের বিভিন্ন শাখায় তিন সপ্তাহব্যাপী চন্দনযাত্রা উৎসবে ভক্তের ভিড় দেখার মতো। যিনি ভগবান বিষ্ণু তিনিই প্রভু জগন্নাথ, আবার তিনিই করুণাময় শ্রীকৃষ্ণ। অক্ষয় তৃতীয়ায় কৃষ্ণমূর্তিতে চন্দন লেপন অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
চারধামের যাত্রা শুরু
কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী— এই চারধামের যাত্রা শুরু হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়। এই দিনটির মাহাত্ম্য সমাজসেবার সুগভীরেও নিহিত আছে। অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে মাংসের স্বাদ নেওয়া অনুচিত। অমান্য করলে অর্থ সংক্রান্ত সমস্যা সারাজীবনের জন্য কষ্ট দিতে পারে। এছাড়াও, কেউ যদি দরজায় ভিক্ষা নিতে আসেন, তাঁকে এই দিন খালি হাতে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত নয়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে পরিবার বা অন্য কোনও ব্যক্তিকে কটুকথা বলা অনুচিত।
বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের এই তৃতীয় তিথি হিন্দুদের পাশাপাশি জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছেও এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিন।