


সংবাদদাতা, কল্যাণী: বিভিন্ন আকারের মুখোশ ব্যবহার করে অভিনব মণ্ডপ। তৈরি করে তাক লাগিয়েছে কল্যাণী বি-৭ এর পল্লি দুর্গোৎসব কমিটি। রং-বেরঙের মুখোশ এবং তার সঙ্গে মানানসই নানা উপকরণ ব্যবহার করে এই মণ্ডপ তৈরি হয়েছে। ব্যবহার করা হয়েছে ফাইবার, বাটাম, চট সহ নানা উপকরণ। মণ্ডপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে থাকছে কুমোরটুলির প্রতিমা ও অত্যাধুনিক আলোকসজ্জা। এসবই দর্শনার্থীদের নজর কাড়বে বলে আশা আয়োজকদের। এই বছর ৫৪ তম বর্ষে পড়ল তাঁদের দুর্গোৎসব। বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ১৬.৫ লক্ষ টাকা।
সেন্ট্রাল পার্ক থেকে পিকনিক গার্ডেনের দিকে যাওয়ার পথে ডানদিকের দ্বিতীয় গলিতে ঢুকলেই মাত্র দুই মিনিট হেঁটে পৌঁছে যাওয়া যাবে এই নতুনত্বে ঘেরা মণ্ডপে। প্রতি বছরই উদ্যোক্তার মণ্ডপ তৈরির ভাবনায় অভিনবত্ব রাখেন। মণ্ডপের উদ্বোধন শনিবার। তবে ইতিমধ্যেই এই মণ্ডপ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। পুজো কমিটির অন্যতম উদ্যোক্তা তথা কল্যাণী পুরসভার চেয়ারম্যান নীলিমেশ রায়চৌধুরী বলেন, প্রতি বছরই দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করার প্রস্তুতি নেয় কল্যাণী বি-৭-এর পল্লি দুর্গোৎসব কমিটি। আমাদের আশা এবারেও আমাদের মণ্ডপ দর্শকদের মন জয় করবে।
অন্যদিকে, কল্যাণী শহরের এ-৮ পল্লি সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পুজো হবে নজরকাড়া, আশা করছেন কমিটিকর্তারা। এই বছর তাঁদের ভাবনায় রয়েছে অরুণাচল প্রদেশের গোল্ডেন প্যাগোডা। এটা তাদের ৪২ তম বর্ষ। পুজোর বাজেট ৩০ লক্ষ টাকা। উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রতি বছরের মতো এবছরেও দর্শকরা ভিড় করবেন তাঁদের মণ্ডপে।