ঢাকা: রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিবের বৈঠকেও বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বিএনপির দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল। শনিবার ঢাকার একটি বিলাসবহুল হোটেলে বাংলাদেশের সাতটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতারেস। সেখানে বিএনপি, জামাত-ই-ইসলামি, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মতো দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ‘বৈষম্যবিরোধী’ পড়ুয়াদের সদ্যগঠিত দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধিও ছিলেন। বৈঠকে সরকারের দুই উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, মাহফুজ আলমও যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে বৈঠকের শেষে বিএনপির শীর্ষ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেন, কেন এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘বৈঠকটা কেন, আমি ঠিক বুঝিনি!’
রমজান মাসে সংহতি জানাতে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সফরে এসেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব। রবিবার পর্যন্ত থাকবেন তিনি। শুক্রবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরে যান গুতারেস। সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের মাঝেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, টাকা না পাওয়া গেলে রোহিঙ্গাদের মাসিক রেশনের পরিমাণ অর্ধেক করে দেওয়া হতে পারে।



