Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এবার শুধু অনলাইনেই উচ্চ মাধ্যমিক অ্যাডমিট

অবশেষে উচ্চ মাধ্যমিকে চিরাচরিত অ্যাডমিট কার্ড প্রথার অবসান ঘটল। বিশেষ কাগজে ছাপানো অ্যাডমিট কার্ড আর দেবে না উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তৃতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা থেকেই অনলাইন অ্যাডমিট দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।

এবার শুধু অনলাইনেই উচ্চ মাধ্যমিক অ্যাডমিট
  • ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবশেষে উচ্চ মাধ্যমিকে চিরাচরিত অ্যাডমিট কার্ড প্রথার অবসান ঘটল। বিশেষ কাগজে ছাপানো অ্যাডমিট কার্ড আর দেবে না উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তৃতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা থেকেই অনলাইন অ্যাডমিট দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। ফাইনাল সেমেস্টারেও একই পথে হাঁটছে তারা। স্কুলগুলি সংসদের পোর্টালে ‘লগ ইন’ করে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবে। তারপর প্রিন্ট আউট বার করে পরীক্ষার্থীদের ঩দেওয়া হবে। তাতে থাকবে প্রধান শিক্ষকের সই এবং স্কুলের স্ট্যাম্প। 

Advertisement

পুরোনো পদ্ধতি অর্থাৎ বার্ষিক পরীক্ষা পদ্ধতির ছাত্রছাত্রীরা অবশ্য আগের মতোই অ্যাডমিট কার্ড পাবেন। ২৮ জানুয়ারি সংসদের ক্যাম্প অফিস থেকে তাঁদের অ্যাডমিট বিলি হবে। ইতিমধ্যে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার বিভিন্ন কাজকর্ম অনলাইন হয়ে গিয়েছে। এখন আর প্রধান শিক্ষকদের পরীক্ষা বা অ্যাকাডেমিক কোনও প্রয়োজনে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং সংসদে খুব বেশি ছুটতে হয় না। উচ্চ মাধ্যমিকের অ্যাডমিটও অনলাইন হয়ে যাওয়ায় তাঁদের দৌড়ঝাঁপ আরও কমবে। রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট অবশ্য আগের মতোই দেওয়া হবে। তবে পরীক্ষার্থীদের একাংশের আশঙ্কা, কাগজে প্রিন্ট করা অ্যাডমিট কার্ড সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা অন্য কাগজের সঙ্গে মিশে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তাঁরা অ্যাডমিট কার্ড প্লাস্টিক ল্যামিনেশন করিয়ে রাখতে পারেন। যদিও সংসদের এক কর্তার বক্তব্য, ‘নানা কাজে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডের দরকার পড়ে। বয়সের প্রমাণপত্র হিসেবে বা অন্যান্য সরকারি কাজে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। উচ্চ মাধ্যমিকের অ্যাডমিটের সেই অর্থে ততটা গুরুত্ব নেই। ফলে চিন্তারও কিছু নেই।’
সংসদ তাদের কাজকর্মে কাগজের ব্যবহার দ্রুত কমিয়ে ফেলছে। বিদ্যাসাগর ভবন খালি করতে উচ্চ মাধ্যমিকের পুরোনো উত্তরপত্র নষ্ট করে ফেলার টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ঢেলে সাজা হচ্ছে গেস্ট রুম। সংসদ জানিয়েছে, সেমেস্টার ব্যবস্থা চালুর অতিরিক্ত ব্যয়ভার বহন করতে সরকারের কাছ থেকে ১১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা পেয়েছে তারা। তবে কিছু স্কুলের দাবি, পরীক্ষা খাতে ফি কমানো উচিত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ