


কানপুর: ব্যবসায়ীপুত্রের বেপরোয়া জয় রাইডের জেরে দুর্ঘটনা। আহত ৬ জন। উত্তরপ্রদেশের কানপুরের ব্যস্ত রাস্তায় রবিবার বিকেলের ল্যাম্বরগিনি দুর্ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এবার অভিযুক্তের বাবা তামাক ব্যবসায়ী কে কে মিশ্রের দাবি, তাঁর ছেলে নয়, গাড়ির চালকের আসনে ছিলেন পরিবারের ড্রাইভার মোহন। তিনি আরও বলেছেন, গাড়িটিতে আগে থেকেই সমস্যা ছিল। গাড়িটিকে পরীক্ষা করার জন্যই ড্রাইভারের সঙ্গে বেরিয়েছিলেন তাঁর ছেলে শিবম। দুর্ঘটনার সময় গাড়ি চালাচ্ছিলেন মোহনই। তিনি আরও জানিয়েছেন, শিবমকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় বাড়িতে আনা হয়েছিল। চিকিৎসার জন্য তাকে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় শিবম গাড়িটি চালাচ্ছিলেন না বলে দাবি করেছেন মিশ্র পরিবারের আইনজীবীও। পুলিশের এফআইআরেও একাধিক খামতির কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। যদিও অভিযুক্ত পক্ষের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। কানপুর নগরের পুলিশ কমিশনার রঘুবীর লাল যাদব বলেছেন, ‘একাধিক তথ্যপ্রমাণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী দুর্ঘটনার সময় গাড়ি চালাচ্ছিলেন শিবমই। এফআইআরে কিছু তথ্যের ঘাটতি থাকতে পারে। তবে গাড়ির চালকের আসনে যে শিবমই ছিল, তা প্রমাণিত।’ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মোবাইলের নানা ভিডিয়ো সামনে এসেছে। দেখা গিয়েছে, দুর্ঘটনার পর শিবমকে গাড়ির চালকের আসন থেকে শিবমকে বের করে আনার চেষ্টা করছেন তাঁর দেহরক্ষীরা। এই ঘটনায় বিরোধীদের আক্রমণের মুখে পড়েছে যোগী সরকার। সমাজবাদী পার্টি (সপা) প্রশ্ন তুলেছে, এক্ষেত্রে কেন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার অ্যাকশন’ নিচ্ছেন না প্রশাসন? সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দলের প্রধান অখিলেশ যাদব লিখেছেন, ‘সাধারণ মানুষ সুবিচার পান না। সবক্ষেত্রেই পক্ষপাতিত্ব করা হয়।’ সপা বিধায়ক রবিদাস মেহরোত্রার কটাক্ষ, ‘যোগী আদিত্যনাথের জিরো টলারেন্স নীতি কোথায়? অভিযুক্তের বাড়িতে কি বুলডোজার চলবে?’