Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬

‘আপনাদের ডিকশনারির প্রয়োজন’ অধ্যাপকের বিরুদ্ধে মামলায় ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, অপারেশন সিন্দুর নিয়ে মন্তব্য

অপারেশন সিন্দুর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলি খান মাহমুদাবাদের বিরুদ্ধে।

‘আপনাদের ডিকশনারির প্রয়োজন’ অধ্যাপকের বিরুদ্ধে মামলায় ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, অপারেশন সিন্দুর নিয়ে মন্তব্য
  • ১৭ জুলাই, ২০২৫ ১৭:০৭

নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলি খান মাহমুদাবাদের বিরুদ্ধে। সেই মামলার তদন্তে নামে হরিয়ানা পুলিসের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। বুধবার মামলার শুনানিতে তদন্তে বিলম্বের জন্য সিটকে তীব্র ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। এদিন বিচারপতি সূর্য কান্ত ও জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, ফের অধ্যাপককে তলব করার প্রয়োজন নেই। দু’দিনে যে কাজটা হয় তার জন্য দু’মাস সময় নেওয়ার কোনও মানে হয় না। একইসঙ্গে বেঞ্চের কটাক্ষ, অধ্যাপককে তলব নয়, তদন্ত শেষ করতে আপনাদের তো একটা ডিকশনারি লাগবে দেখছি। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এনিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিটকে। কোনওভাবেই আর দেরি করা যাবে না। শীর্ষ আদালত অভিযুক্তর জামিনের শর্তও শিথিল করে দিয়েছে। বেঞ্চ জানিয়েছে, বিচারাধীন বিষয় ছাড়া এবার যে কোনও বিষয়ে লিখতে পারবেন ওই অধ্যাপক।

Advertisement

অপারেশন সিন্দুরের পর সেনার অভিযান নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন কর্নেল সোফিয়া কুরেশি ও উইং কম্যান্ডার ব্যোমিকা সিং। আর তা নিয়েই মন্তব্য করেন অধ্যাপক। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বিষয়টিকে লোক দেখানো ও দ্বিচারিতা বলে কটাক্ষ করেন তিনি। লেখেন, অনেকে কুরেশির প্রশংসা করছেন। এটা ভালো। তাঁরা যেন গণপিটুনি, বুলডোজার অভিযান ও বিজেপির ঘৃণার রাজনীতির শিকার হওয়া নাগরিকদের অধিকার রক্ষার দাবিও তোলেন। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অধ্যাপক। এদিন সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেন, তদন্তের স্বার্থে কি অধ্যাপককে তলব করা যেতে পারে? বিচারপতির সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানান, ‘অধ্যাপককে ডাকার কোনও প্রয়োজন নেই। মাত্র দুটো পোস্ট আর দুটো এফআইআর নিয়ে তদন্ত করতে হবে।’ অধ্যাপকের ফোন বাজেয়াপ্ত করা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত। 

সম্পর্কিত সংবাদ