


আমেদাবাদ: ক্রিজে গিয়েই এলোপাথাড়ি ব্যাট চালানো নয়, বরং শুরুতে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া জরুরি। তার জন্য প্রয়োজন হলে ইগো ঝেড়ে ফেলতে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে ৭৬ রানে হারের পর টিম ইন্ডিয়াকে এটাই সুনীল গাভাসকরের পরামর্শ। জিওস্টারে কিংবদন্তি ওপেনার বলেছেন, ‘চাপের মুখে ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও ডেভিড মিলারের ব্যাটিং দেখে শেখা উচিত ছিল ভারতীয়দের। কিন্তু তা হয়নি। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে ক্রিজে আসে ব্যাটাররা। প্রতি বলেই ব্যাট চালায়। আর তাতে উইকেট পড়তে থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকা বুদ্ধিদীপ্ত ক্রিকেটে টেক্কা দেয় ভারতকে। এই জয়টা ওদের প্রাপ্যই।’
১৮৮ তাড়া করতে নেমে ১৮.৫ ওভারে ১১১ রানে দাঁড়ি পড়ে ভারতীয় ইনিংসে। টিম ইন্ডিয়ার এমন লাগামছাড়া ব্যাটিং মানতে পারছেন না গাভাসকর। তাঁর কথায়, ‘এমন কঠিন পিচে রান করতে হলে ইগোকে বশে রাখতে হয়। কিন্তু তিলক ভার্মাকে দেখে সবচেয়ে বেশি হতাশ হয়েছি। ও স্ট্রিটস্মার্ট ব্যাটার। তিলকের উচিত ছিল আরও কয়েকটা বল সময় নেওয়া। যাতে ক্রিজে থিতু হতে পারে। উলটোদিকে ছিল অভিষেক শর্মা। যে টানা শূ্ন্য করে এমনিতেই চাপে। প্রথম ছয় ওভারে টিকে থাকার দায়িত্বটা তাই তিলকেরই ছিল। জুটি গড়তে হত ওকে। কিন্তু ও তা পারেনি। ঈশান কিষান আবার যেভাবে চালাল তাতে আস্কিং রেট মনে হচ্ছিল ১৫!’ সানির পরামর্শ, ‘পাওয়ার প্লে-তে সবসময় ৭০ রান তোলার দরকার নেই। ৫৫-৬০ রানও অবস্থা বিশেষে ভালো। কিন্তু বেপরোয়া হতে গিয়ে ম্যাচটা হারল ভারত।’
বৃহস্পতিবার চিপকে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে অক্ষর প্যাটেলকে খেলানো উচিত বলে জানিয়েছেন গাভাসকর। তাঁর যুক্তি, ‘ওয়াশিংটন সুন্দরকে দুই ওভারের বেশি বল করানো যায়নি। ব্যাট হাতেও ব্যর্থ। ওর জায়গায় ফিরুক অক্ষর।’ একই সুরে গলা মিলিয়েছেন মাইকেল ভন। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন তারকার কথায়, ‘ভারতের ড্রেসিং-রুমে অনেক মাথা। অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্টের মতোই দশা হয়েছে। আমি জানতে চাই, কে সেই ব্যক্তি যে টিম মিটিংয়ে অক্ষরকে বাদ দেওয়ার কথা বলেছিল!’