নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আলু চাষিদের আর্থিক উন্নতির জন্য রাজ্য সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ করেছে, তার পরিসংখ্যান হাজির করেছে কৃষি বিপণন দপ্তর। ওইসঙ্গে তাদের অভিযোগ, কয়েকজন হিমঘর মালিক এবং এক শ্রেণির আলু ব্যবসায়ী সমিতি মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। দপ্তরের বক্তব্য, এবছর বাংলার পাশাপাশি পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ প্রভৃতি রাজ্যেও রেকর্ড পরিমাণ আলুর ফলন হয়েছে। ইউপি ও পাঞ্জাবে কৃষকরা প্রতি কুইন্টাল আলুর দাম পেয়েছে যথাক্রমে ৯০০-১১০০ টাকা এবং ৬০০-৯০০ টাকা। এখানে তা ৯৫০-১১৪০ টাকা। আলুচাষিদের প্রাপ্তি বাড়াতে হিমঘরের গেটে প্রতি কেজি জ্যোতি আলুর সংগ্রহ মূল্য ৯ টাকা ধার্য করেছে রাজ্য। দপ্তর আরও জানিয়েছে, এবছর রাজ্যের ৫১৯টি হিমঘরে ৭০ লক্ষ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন আলু সংরক্ষিত হয়। পরিমাণটি গতবছরের চেয়ে ১২ লক্ষ মেট্রিক টন বেশি।
মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন, হিমঘর মালিকদের কয়েকজন বলছেন যে এবছর হিমঘর থেকে আশানুরূপ আলু বেরচ্ছে না। কিন্তু আসল তথ্য হল, সোমবার পর্যন্ত ২১ লক্ষ টন আলু বেরিয়েছে। গতবছর এইসময় আলু বেরিয়েছিল ২০ লক্ষ টন। প্রতিদিন বাংলা থেকে অন্যান্য রাজ্যেও বিপুল পরিমাণে আলু যাচ্ছে নির্বিঘ্নে। এখানে বিপুল পরিমাণে আলু জমে আছে বলে একটি মহল যা দাবি করছে তা অসত্য। এই প্রসঙ্গেই কৃষি বিপণন দপ্তরের পক্ষ থেকে তিনটি হিমঘরের তথ্য-পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে। সোমবার তিনটি হিমঘর থেকে ৪৩৫৭৫.৫০, ৭৫৫৫১.৫০ ও ৫২৪৮১.০০ কুইন্টাল আলু বেরিয়েছে। মন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, উপভোক্তা এবং কৃষকদের স্বার্থেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার প্রকল্প গ্রহণ করে, মধ্যস্বত্বভোগীদের জন্য নয়।



