Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গার্ডেনরিচে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য, ‘এত জোরে ড্রাইভিং! গাড়ির ভিতর ভয়ে সিঁটিয়ে ছিলাম’

‘গ্যারাজ থেকে বেরনো মাত্রই বিপজ্জনক গতিতে গাড়ি চালাতে শুরু করে রোহিত। গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভারে ওঠার আগে একটা ইউ-টার্ন আছে।

গার্ডেনরিচে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য, ‘এত জোরে ড্রাইভিং! গাড়ির ভিতর ভয়ে সিঁটিয়ে ছিলাম’
  • ২১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘গ্যারাজ থেকে বেরনো মাত্রই বিপজ্জনক গতিতে গাড়ি চালাতে শুরু করে রোহিত। গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভারে ওঠার আগে একটা ইউ-টার্ন আছে। সেখানেও ৬৫ কিমির বেশি গতিতে গাড়িটা ঘুরিয়েছিল। তখনই একবার গাড়ির বাম দিকে চাকা মাটির উপরে উঠে গিয়েছিল। প্রায় উল্টে যাচ্ছিল গাড়িটা। আমরা সবাই তখনই ভয়ে পেয়ে যাই। আমরা চারজন (রিও, জয়, সায়ন ও সূর্য) ওকে তখনই গাড়ি থামাতে বলেছিলাম। আমরা নেমে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ও শোনেনি। এত জোরে ড্রাইভ করছিল যে আমরা গাড়ির ভিতরে ভয়ে সিঁটিয়ে ছিলাম।’ থুতনিতে ব্যান্ডেজ। গলায় সেলাই। দুই পায়েও সেলাই পড়েছে। ব্যথায় কাতর হয়েও শুক্রবার রাতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন দুর্ঘটনাগ্রস্ত সেডান গাড়িটির সর্বকনিষ্ঠ যাত্রী, বছর ১৬-র সূর্য প্রধান। সেও গার্ডেনরিচের পাহাড়পুরের বাসিন্দা। গাড়ির পিছনের আসনে বসেছিল সে। সূর্যের দাবি, ‘ফ্লাইওভারে ওঠার পরই ১০০ কিমি বেগে গাড়ি ছোটাতে শুরু করে রোহিত। আমাদের বলে, দেখ, থ্রি ডিজিট পেরিয়ে গিয়েছি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়িটা ফ্লাইওভারের দেওয়ালে ধাক্কা মারে। তারপর আর কিছু মনে নেই। রোহিত যে গাড়ি চালাতে জানে না, তা আমরা কেউ জানতাম না। বলেছিল, ওর লাইসেন্স আছে। দুর্ঘটনার পর জানতে পারি, দু’চাকার লাইসেন্স দিয়েই গাড়ি চালাচ্ছিল।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ