


নয়াদিল্লি: ফরিদাবাদে বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার। পরে দিল্লিতে বিস্ফোরণ। এই ঘটনাক্রমে জঙ্গিযোগের শিকড় খুঁজতে জোরকদমে তদন্ত চলছে। এরইমাঝে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় ধৃত চিকিৎসক শাহিন শাহিদ সম্পর্কে সামনে এল নয়া তথ্য। আগেই জানা গিয়েছে, ভারতে জয়েশ-ই-মহম্মদের মহিলা শাখা তৈরির দায়িত্বে ছিল লখনউয়ের এই মহিলা চিকিৎসক। মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়ার নির্দেশে ধীরে ধীরে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছিল সে। এবার শাহিন সম্পর্কে মুখ খুললেন তার প্রাক্তন স্বামী চিকিৎসক হায়াত জাফর। তাঁর কথায়, দুই সন্তানকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া বা ইউরোপে কোথাও থাকতে চেয়েছিল শাহিন। তা নিয়েই বিবাদ শুরু হয়। পরে ২০১২ সালে দু’জনের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। প্রাক্তন স্বামী আরও বলেন, ‘শাহিন বরাবরই উদার মানসিকতার। সেভাবে ধর্মের প্রতি প্রবল কোনও আসক্তি বা ঝোঁক ছিল না তাঁর।’ তাহলে বিচ্ছেদের পরই কি জঙ্গিসংগঠনে নাম লেখান শাহিন? সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
স্বামী হায়াতের বক্তব্য, ‘২০১২ সালে আমরা আলাদা হয়েছিলাম। তারপর থেকে ওর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। বর্তমানে ওর জন্য জীবনে কোনও জায়গাও নেই। এমনকি সন্তানদের সঙ্গেও ওর কথা হয় না। তবে ও খুব উদার ছিল। ওর মধ্যে ধর্ম নিয়ে তেমন কোনও মাতামাতি দেখিনি। আসলে ও দেশ ছেড়ে আমাদের সঙ্গে নিয়ে বিদেশে থাকতে চেয়েছিল। আমি রাজি হইনি। আর সেই বিবাদ থেকেই আমাদের বিচ্ছেদ ঘটে।’ জানা গিয়েছে, শাহিন পালমোনোলজির অধ্যাপক ছিল। ২০০৬ সালে ডাক্তারি ডিগ্রি পায়। ২০০৩ সালে দেখাশোনা করেই হায়াত ও শাহিনের বিয়ে হয়।