Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোর চারটেয় রাধা‑কৃষ্ণ খেলবেন দোল, সন্ধ্যায় আসবেন রাজবেশে

৩০০ বছরের প্রাচীন কাশীপুর রাসবাটিতে তিথি মেনে দোল উৎসব শুরু হবে ভোর চারটেয়। শেষ হবে বেলা দশটায়। রাসবাটির নাটমঞ্চে গোপীনাথ জিউয়ের মন্দিরে বসে রাধা‑কৃষ্ণ দোল খেলতে মাতবেন ভক্তদের সঙ্গে।

ভোর চারটেয় রাধা‑কৃষ্ণ খেলবেন দোল, সন্ধ্যায় আসবেন রাজবেশে
  • ৩ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ৩০০ বছরের প্রাচীন কাশীপুর রাসবাটিতে তিথি মেনে দোল উৎসব শুরু হবে ভোর চারটেয়। শেষ হবে বেলা দশটায়। রাসবাটির নাটমঞ্চে গোপীনাথ জিউয়ের মন্দিরে বসে রাধা‑কৃষ্ণ দোল খেলতে মাতবেন ভক্তদের সঙ্গে।

Advertisement

খেলা শেষ হলে ভক্তদের কাঁধে চেপে এই যুগল মূর্তি যাবে দোতলার মূল মন্দিরে। সেখানে গোলাপ পাপড়ি ও গন্ধরাজ লেবুর পাতা মেশানো জলে স্নান করবেন। এরপর যাবেন দ্বিপ্রাহরিক নিদ্রায়। ঘুম থেকে ওঠার পর সন্ধ্যায় রাজবেশে সেজে রাধা-কৃষ্ণ ফের আসবেন ভক্ত দর্শনে। তখন ভক্তরা তাঁকে সুগন্ধি ও নানা রঙের আবির দেবেন। উত্তর কলকাতার রতনবাবু রোডে রয়েছে এই প্রাচীন মন্দির। সেখানে দোল উৎসব দেখতে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। তাঁদের দেওয়া হয় বাতাসা‑কদমা, মঠ‑ফুটকড়াই, নাড়ু। কপালে প্রসাদি আবিরের তিলক কেটে দেওয়া হয়। মন্দিরের সেবাইত তুষার দে জানান, দোলের আগের দিন রাসবাটি চত্বরে হয় চাঁচর। সন্ধ্যাতেই শুরু নাম সংকীর্তন। বিশেষ পুজো হয়। রাত সাড়ে ন’টায় চাঁচর শুরু। মন্দিরের বৈশিষ্ট্য, কুলদেবতা নারায়ণ শীলার উপস্থিতিতে হয় চাঁচর। তখন সেখানে রাধা‑কৃষ্ণ অনুপস্থিত। চাঁচর শেষে উপস্থিত মানুষদের বাতাসা লুট দেওয়ার রীতি। অনেকে মানত করে এই উৎসবে এসে বাতাসা প্রসাদ লুট নেন। অন্যান্য সময় ফল প্রসাদ ও মিষ্টি দিয়ে পুজো দেওয়ার রীতি। আর দোলে ভোগে দেওয়া হয় লুচি, সুজি, পাঁচ রকমের ভাজা, আলুর দম, তরকারি, চাটনি, একাধিক মিষ্টি, ফল প্রভৃতি। দোল ছাড়াও এখানে রাস উৎসব, রথ, ঝুলন, জন্মাষ্টমী ইত্যাদি উৎসব হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ