Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি, গোষ্ঠীকে জলাশয় লিজে আর্থিক সুবিধা প্রদান

মাছে ভাতে বাঙালির জন্য সুখবর। মাছের উৎপাদন বাড়াতে বড়ো পদক্ষেপ নিল নবান্ন। জলাশয় লিজ নিতে সমবায় সমিতি ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে।

মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি, গোষ্ঠীকে জলাশয় লিজে আর্থিক সুবিধা প্রদান
  • ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাছে ভাতে বাঙালির জন্য সুখবর। মাছের উৎপাদন বাড়াতে বড়ো পদক্ষেপ নিল নবান্ন। জলাশয় লিজ নিতে সমবায় সমিতি ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে।  

Advertisement

রাজ্যের অধীনে থাকা পাঁচ একরের বেশি আয়তনের জলাভূমি বা জলাশয় বা পুকুর মাছ চাষের কাজে লাগাতে মৎস্য দপ্তর, ভূমি সংস্কার সহ একাধিক দপ্তরকে নিয়ে কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি এই সমস্ত জলাজমি মৎস্য চাষের জন্য লিজে দেওয়া নিয়ে একটি অর্ডার ইস্যু করা হয়েছে ভূমি সংস্কার দপ্তরের তরফে। নির্দেশিকায় লিজ দেওয়ার নিয়ম কানুন বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি, স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং বিভিন্ন মৎস্য উৎপাদন গোষ্ঠীকে লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া নিয়ে নবান্নের সিদ্ধান্তের কথাও পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশিকায়।
রাজ্যের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এই সমস্ত গোষ্ঠীকে মাছ চাষের জন্য জলাশয় লিজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে। এছাড়াও এই গোষ্ঠীগুলির তফসিলি জাতি বা উপজাতি থেকে ৭০ শতাংশ বা তার বেশি সদস্য থাকেন তাহলে তারা অতিরিক্ত পাঁচ শতাংশ আর্থিক সুবিধা পাবে। এছাড়া সিকিউরিটি ডিপোজিটের ক্ষেত্রেও ব্যাপক ছাড় দেওয়া হবে। আর লিজ ডিড করার ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন চার্জও সম্পূর্ণ মকুব করে দেওয়া হবে। তবে লিজ পাওয়ার পরে ১২ মাসের মধ্যে মাছ চাষ শুরু না করলে তা বাতিল হয়ে যাবে বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের জারি করা নির্দেশিকায়। 
লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি জেলায় জেলাশাসককে চেয়ারম্যান করে একটি করে ছয় সদস্যের কমিটি তৈরি হবে। এই কমিটির তত্ত্বাবধানেই  ‘ওয়াটার বডি লিজ ম্যানেজমেন্ট পোর্টাল’-এ লিজ দেওয়া সম্ভব এমন পাঁচ একরের বেশি আয়তনের সরকারি জলাশয়ের তথ্য তোলা হবে। পাশাপাশি ই-অকশানের মাধ্যমে মাছ চাষের জন্য দেওয়া হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ