পুনে: অপারেশন সিন্দুরে ভারতের আক্রমণে দিশাহারা হয়ে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিল পাকিস্তান। ভারতকে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত করতে ৪৮ ঘণ্টার ‘প্ল্যান’ তৈরি করে ইসলামাবাদ। কিন্তু ভারতের প্রত্যাঘাতে ৮ ঘণ্টার মধ্যেই সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যায়। তারপরেই ভারতের কাছে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার জন্য আবেদন করে পাকিস্তান। কতটা দূরবস্থায় পড়ে ইসলামাবাদ যুদ্ধবিরতির জন্য আবেদন করেছিল, মঙ্গলবার সাবিত্রীবাই ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান। এদিন পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ফিউচার ওয়ার্স অ্যান্ড ওয়ারফেয়ার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন তিনি। সিডিএস জানান, হাজার হাজার ক্ষত তৈরি করে ভারতকে রক্তাক্ত করতে চেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু অপারেশন সিন্দুরে সীমান্ত সন্ত্রাস মোকাবিলাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে দিল্লি। তিনি জানিয়েছেন, গত ৯ ও ১০ মে মধ্যবর্তী রাতে পাকিস্তান একাধিক জায়গা থেকে একসঙ্গে ভারতের উপর হামলা চালায়। পাক সেনা ভেবেছিল, একাধিক জায়গায় থেকে একসঙ্গে হামলা চালালে ভারত হার মেনে নিতে বাধ্য হবে। কিন্তু ভারতের পাল্টা মারে পাকিস্তানের সেই পরিকল্পনা একেবারে ব্যর্থ হয়। সিডিএস জানান, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারতকে হারানো তো দূরের কথা, হামলা শুরুর আট ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান থেকে যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানিয়ে ভারতে ফোন আসে। ভারতীয় সেনার সর্বাধিনায়ক বলেন, ‘অপারেশন সিন্দুরের প্রথমদিনের পরই পাকিস্তানকে বলা হয়েছিল, শুধুমাত্র জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করতেই ভারত প্রত্যাঘাত করেছে। উত্তেজনা বৃদ্ধির কোনও পরিকল্পনা ভারতের নেই। কিন্তু এটাও বলে দেওয়া হয়, পাকিস্তান ভারতের সেনা পরিকাঠামোতে আঘাত করলে, আরও জোরে প্রত্যাঘাত করা হবে।’



