মুম্বই: এবার ঘুরপথে মহারাষ্ট্রে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা! দেবেন্দ্র ফড়নবিশ সরকারের নতুন নির্দেশিকা জারি হতেই চাঞ্চল্য মারাঠা রাজনীতিতে। এই ডাবল ইঞ্জিন রাজ্যে শিক্ষাদপ্তরের ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত তৃতীয় ভাষা হিসেবে পড়ানো হবে হিন্দি। যদি কোনও শ্রেণিকক্ষে অন্তত ২০ জন পড়ুয়া অন্য ভাষা অধ্যয়ন করতে চায়, সেক্ষেত্রে অনুমতি দেওয়া হবে। তবে সেই ভাষার শিক্ষক দেওয়ার দায়িত্ব নেয়নি শিক্ষা দপ্তর। জানানো হয়েছে, অনলাইনেও ওই তৃতীয় ভাষার ক্লাস নেওয়া হতে পারে।
মোদী সরকারের নতুন শিক্ষানীতি নিয়ে এই মুহূর্তে প্রতিবাদে সরব দেশের একটা বড় অংশ। তিন ভাষা শিক্ষার নিয়মকে ঢাল করে ঘুরপথে গোটা দেশের উপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেই অভিযোগ বিরোধী দলগুলির। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও গর্জে উঠেছেন। কড়া অবস্থান নিয়েছে তামিলনাড়ু। এবার মহারাষ্ট্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার মারাঠা ভাষাকে গুরুত্বহীন করে দিতে চাইছে বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। এভাবে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র নিয়ে তোপ দেগেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হর্ষবর্ধন সপকল। তাঁর দাবি, ‘অন্যান্য ঐচ্ছিক ভাষাকে গুরুত্ব না দিয়ে শেষ পর্যন্ত বিজেপি হিন্দিকে মহারাষ্ট্রের তৃতীয় ভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিল। বিজেপি আরএসএস দেশজুড়ে এক ভাষা নীতি আনতে চায়। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করব।’ বিজেপির দুই শরিক দল শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে) ও এনসিপি (অজিত পাওয়ার)-কেও এ নিয়ে তোপ দেগেছে হাত শিবির।