


সুরাত: বেশ কিছুদিন ধরেই খোঁজ মিলছিল না গুজরাতের এক যুগলের। খবর যায় পুলিশেও। মাস খানেক পর রাজকোটের খাম্বালা গ্রামের একটি কুয়ো থেকে উদ্ধার হয় তরুণী ও তাঁর প্রেমিকের দেহ। তদন্তে জানা যায়, পরিবারের সম্মান রক্ষায় খুন করা হয়েছে দুজনকে। ঘটনায় জড়িত তরুণীর পরিবারের সদস্যরাই।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের নাম নাথি ওরফে সোনু (১৯) ও নবীন জিভাবাই রাবারি (২১)। গত তিন ফেব্রুয়ারি থেকে তাঁরা নিখোঁজ ছিলেন। নক্ষত্রনা থানায় মিসিং ডায়েরিও করা হয়। তদন্তে নেমে সোনুর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভুজের ডেপুটি পুলিস সুপার এম জে ক্রিস্টিয়ানের নেতৃত্বাধীন আধিকারিকরা। জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেন তরুণীর বাবা।
তিনি জানান, নবীনের সঙ্গে মেয়ের মেলামেশা নিয়ে আপত্তি ছিল পরিবারের। সেকথা বারবার বলাও হয়েছিল। কিন্তু, কিছুতেই কথা শোনেননি সোনু। ঘটনার দিন যুগলকে খাম্বালা গ্রামের একটি নির্জনস্থানে নিয়ে যান সোনুর বাবা ও তাঁর এক খুড়তোতো ভাই। সোনুর মা ও এক ভাইও হাজির ছিলেন। সেখানে যুগলকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। এরপর দু’জনের দেহ সংলগ্ন একটি কুয়োয় ফেলে দেয় পরিবারের সদস্যরা। জেরায় সোনুর বাবা স্বীকারোক্তির পর ওই স্থান থেকে দেহ উদ্ধার করে দমকল ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। এই ঘটনায় সোনুর বাবা ছাড়াও পরিবারের আরও দুই সদস্যকে হেপাজতে নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে একজন নাবালক। মৃতার মায়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।