Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

লাদাখে মোতায়েন নয়া ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন, সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা ভারতীয় সেনার, চীনা সক্রিয়তায় আশঙ্কা?

পহেলগাঁও পরবর্তী অপারেশন সিন্দুর সত্ত্বেও পাকিস্তানের ভারত বিরোধী চক্রান্ত অব্যাহত। এরমধ্যেই চীন নিয়েও শঙ্কা। লাদাখে বাড়ছে ভারতীয় সেনার অতিরিক্ত সতর্কতা ও প্রহরা।

লাদাখে মোতায়েন নয়া ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন, সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা ভারতীয় সেনার, চীনা সক্রিয়তায় আশঙ্কা?
  • ৩০ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: পহেলগাঁও পরবর্তী অপারেশন সিন্দুর সত্ত্বেও পাকিস্তানের ভারত বিরোধী চক্রান্ত অব্যাহত। এরমধ্যেই চীন নিয়েও শঙ্কা। লাদাখে বাড়ছে ভারতীয় সেনার অতিরিক্ত সতর্কতা ও প্রহরা। নবগঠিত ৭১ নম্বর ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনকে সম্পূর্ণ তুলে এনে  লাদাখ জোনেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় মোতায়েন করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, কারগিলের দ্রাসেও নতুন করে সেনার দুই ডিভিশনের বাহিনিকে নিয়ে আসা হয়েছে। হঠাৎ করে সিয়াচেন সীমান্তে বড়ানো হয়েছে প্রহরা ও সৈন্য সংখ্যা।

Advertisement

২০২০ সালের এপ্রিল মাসে লাদাখের গলওয়ান উপত্যকা সহ বেশ কয়েকটি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অঞ্চল থেকে চীনের লালফৌজ প্রবেশ করেছিল ভারতের মাটিতে। ভারতীয় সেনা প্রতিরোধ করলে প্রবলভাবে সংঘাত শুরু হয়ে যায়। উভয়পক্ষের সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয় একাধিক সংঘর্ষে। আবার এপ্রিল ও মে মাসের তুষার গলে যাওয়ার মরশুমে চীনের লালফৌজের অতি সক্রিয়তা কি উদ্বেগের কারণ হয়ে দেখা দিচ্ছে? এই প্রশ্ন উঠছে। কারণ চীনের সঙ্গে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং পাকিস্তানের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যে ৮৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, সেই লাদাখ, দ্রাস কারগিল, সিয়াচেন গ্লেসিয়ার জুড়ে নতুন করে বিপুল সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন ৭২ ইনফ্যান্ট্রিকে যুক্ত করা হবে ১৪ কর্পসের সঙ্গে। যারা আগে থেকেই রয়েছে লেহ অঞ্চলে প্রহরায়।  ১৪ কর্পসের দুটি ডিভিশন রয়েছে। অষ্টম  মাউন্টেন ডিভিশন, যারা পাকিস্তানের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন। আর তৃতীয় ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন, যারা পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় প্রহরায়। অর্থাৎ চীনের সীমান্তে। ২০২১ সালের পর এই প্রথম এত বড় করে  সেনা মোতায়েন বদলের সিদ্ধান্ত হল। উত্তরাখন্ড এবং হিমাচল প্রদেশের সীমান্তেও সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। হিমাচলের  প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার দায়িত্বে রয়েছে ওয়েস্টার্ন কমান্ড। এভাবে ভারত আকস্মিক চীন সীমান্ত নিয়ে সক্রিয়তা বাড়ানোয় বিস্ময় ও প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে যে, এটা কি নিছকই সতর্কতা? নাকি গোপন গোয়েন্দা বার্তা পাওয়া যাচ্ছে যে, চীনের দিকে আসতে পারে নতুন করে কোনও অনুপ্রবেশের চেষ্টা? ভারতের সামরিক বাহিনি অপারেশন সিন্দুরের আগে ও পরে বারংবার বলেছে যে, ভারত সর্বদাই টু ফ্রন্ট যুদ্ধের সম্ভাবনা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নেয়। চীন ও পাকিস্তান যে একজোট হয়েও নিজেদের সীমান্ত দিয়ে ভারতের উপর হামলা করার প্ল্যান নিতে পারে, সেই আশঙ্কা যথেষ্ট। তাই ভারতও প্রস্তুত। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ