


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ধ্বংস করে ক্রমাগত রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এহেন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। নীতি আয়োগের বৈঠকে এই নিয়ে বিরোধীরা একাধিকবার প্রধানমন্ত্রীর সামনেই সরব হয়েছে। এবার এমন এক কৃষি প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করল, যা সরাসরি দেখভাল করবে কেন্দ্র। দেশের ১০০ জেলাকে বেছে নেওয়া হচ্ছে ধন্য ধন্য কৃষি যোজনা প্রকল্পে। ঠিক সেই জেলাগুলিকেই বাছাই করা হবে, যেখানে কৃষিসংক্রান্ত উন্নয়ন অনেকটা পিছিয়ে। প্রতিটি রাজ্যের অন্তত পক্ষে একটি অথবা একাধিক জেলা এই তালিকায় থাকবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। সরকারের ১১টি দপ্তরের ৩৬টি প্রকল্পকে সমন্বিত করে এই প্রকল্প রূপায়ণ করা হবে। জেলা, রাজ্য এবং জাতীয় স্তরের কমিটি গঠন করা হবে। জেলা ধন ধান্য সমিতি স্থির করবে পরিকল্পনা। ফসলের বৈচিত্র্য সন্ধান, কেন এই জেলা কৃষিতে পিছিয়ে তার অনুসন্ধান, মৃত্তিকা পরীক্ষা, জৈব চাষ সম্ভব কি না খতিয়ে দেখার মতো কাজ করবে সমিতি। কেন্দ্রীয় সরকারের নোডাল অফিসার থাকবেন সার্বিক রূপরেখা কার্যকর করার জন্য। আর একবার শুরু হওয়ার পর নিয়ম করে রিভিউ করার দায়িত্ব নীতি আয়োগের। অর্থাৎ জেলায় জেলায় প্রকল্প কার্যকর হলেও প্রধানত নীতি নির্ধারণ থাকবে কেন্দ্রের হাতে। কীভাবে দেশের কৃষি উৎপাদন বাড়ানো যায়, সেই লক্ষ্যেই এই পাইলট প্রকল্প। যদি এই প্রকল্প সাফল্য পায়, তাহলে জেলার সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের যে অ্যাসপিরেশনল জেলা প্রকল্পের তালিকা রয়েছে, সেই মানদন্ড সামনে রেখে মনোনীত করা হবে কোন জেলাকে নেওয়া হবে প্রকল্পে। প্রশ্ন হল, রাজ্য সরকারের ভূমিকা কী হবে?