নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আদালতের নির্দেশের প্রেক্ষিতে সোমবার ১০ মাস বাদে ভাঙড় ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে পা রাখলেন আরাবুল ইসলাম। কিন্তু সভাপতি এলে কী হবে, তাঁর ঘর যে আগেই দখল হয়ে গিয়েছে! আরাবুলের বিরোধী হিসেবে পরিচিত কর্মাধ্যক্ষ খাইরুল ইসলাম সভাপতির ঘরে বসেই যাবতীয় কাজ সারেন। ফলে ঘর না পেয়ে বিডিওর টেবিলের এপারে বসেই গোটা দিন কাটালেন তিনি।
Advertisement
এদিকে, পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে আসছেন আরাবুল— এই খবর চাউর হতেই বিডিও অফিসের আশপাশে ব্যাপক ভিড় জমতে শুরু করে। অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে, সেই আশঙ্কায় আগে থেকেই পুলিস সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে। জমায়েত বড় আকার নিতেই পুলিস জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এদিন সকাল ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে আসেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা। পথে পোলেরহাট, কাশীপুর, শোনপুর, কাঁঠালিয়া বাজারে তাঁর অনুগামীরা ভিড় করেন ‘তাজা’ নেতাকে একঝলক দেখার জন্য। পুষ্পবৃষ্টির পাশাপাশি ফুলের মালা পরানো হয় আরাবুলকে। তবে গোটা রাস্তায় কোনও কর্মীর হাতেই তৃণমূলের পতাকা ছিল না। বিডিও অফিসে আরাবুল, তাঁর ছেলে হাকিমুল ও গুটি কয়েক সমর্থক ছাড়া অন্য কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। গোটা চত্বর যেন দুর্গে পরিণত হয়েছিল।
এদিন বিডিওর কাছে সভাপতির পদ ও ঘর ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করেন আরাবুল। সেই আবেদন বারুইপুর মহকুমা শাসকের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন কথাবার্তার পর বাড়ি ফিরে যান তৃণমূল নেতা। ঘর দখল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আজ ঘর দখল করে আছেন, বড় বড় কথা বলছেন, একসময় তাঁরা আমার হাত ধরে পার্টিতে এসেছিলেন। বিডিও আমাকে একটি ঘর বরাদ্দ করেছেন, আমি সেসব নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেব। এদিন নিজের গ্রেপ্তারি নিয়ে সরব হন এই প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর দাবি, তিনি চক্রান্তের শিকার।
এদিকে, এদিন যখন ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকে আরাবুল অনুগামীরা উচ্ছ্বাসে মেতেছেন, তখন উল্টো ছবি দেখা গেল ভাঙড় বাজারে। সেখানে শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ বাহারুল ইসলাম, আহসান মোল্লারা আরাবুলের বিরুদ্ধে সরব হন। চলে বিক্ষোভও।
এদিন বিডিওর কাছে সভাপতির পদ ও ঘর ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করেন আরাবুল। সেই আবেদন বারুইপুর মহকুমা শাসকের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন কথাবার্তার পর বাড়ি ফিরে যান তৃণমূল নেতা। ঘর দখল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আজ ঘর দখল করে আছেন, বড় বড় কথা বলছেন, একসময় তাঁরা আমার হাত ধরে পার্টিতে এসেছিলেন। বিডিও আমাকে একটি ঘর বরাদ্দ করেছেন, আমি সেসব নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেব। এদিন নিজের গ্রেপ্তারি নিয়ে সরব হন এই প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর দাবি, তিনি চক্রান্তের শিকার।
এদিকে, এদিন যখন ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকে আরাবুল অনুগামীরা উচ্ছ্বাসে মেতেছেন, তখন উল্টো ছবি দেখা গেল ভাঙড় বাজারে। সেখানে শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ বাহারুল ইসলাম, আহসান মোল্লারা আরাবুলের বিরুদ্ধে সরব হন। চলে বিক্ষোভও।



