নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১৯১১ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে হারিয়ে প্রথম ভারতীয় দল হিসেবে আইএফএ শিল্ড জেতে মোহন বাগান। বুট পরিহিত সাহেবদের বিরুদ্ধে শিবদাসদের সংগ্রাম স্থান পেয়েছে ইতিহাসের পাতায়। মোহন বাগানের জয় বাড়তি গতি আনে স্বাধীনতা আন্দোলনে। ঐত্যিহের সবুজ-মেরুন জার্সিই লিও মেসির হাতে তুলে দিতে চলেছে মোহন বাগান ম্যানেজমেন্ট। শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতায় পা রাখবেন ফুটবলের বরপুত্র। মেসির ভারত সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। শনিবার এলএমটেনের উপস্থিতিতে যুবভারতীতে প্রীতি ম্যাচ। মোহন বাগানের সামনে ডায়মন্ডহারবার এফসি। সূত্রের খবর, ১৯১১’র অনুকরণে তৈরি হচ্ছে বিশেষ জার্সি। ম্যাচের আগে তা তুলে দেওয়া হবে মেসির হাতে। মানস ভট্টাচার্য, শিলটন পালের মতো প্রাক্তনীরা অগ্রণী ভূমিকা নিতে পারেন। পাশাপাশি ফুটবলের যুবরাজকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ গিফট বক্স তুলে দেবে ডায়মন্ডহারবার এফসি। জার্সি, বল, টুপি, মেমেন্টো থাকছে উপহারের ডালিতে। এদিকে ময়দানে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, ইস্ট বেঙ্গল ও মহমেডান স্পোর্টিংকে এখনও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
ঝটিকা সফরে কলকাতায় আসছেন মেসি। শনিবার সকালে যুবভারতী সংলগ্ন পাঁচতারা হোটেলে স্পনসরদের সঙ্গে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠান। এরপর সকাল ১১-১৫ নাগাদ যুবভারতীতে পৌঁছেবে মেসির কনভয়। জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ছাড়াও মেসির নিজস্ব কোর টিম তো থাকছেই। যুবভারতীতে ‘মেসি শো’ কার্যত চাঁদের হাট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়, সৌরভ গাঙ্গুলি থাকবেন। উড়ে আসছেন শাহরুখ খানও। প্রীতি ম্যাচ ছাড়াও খুদে ফুটবলারদের ফুটবল ক্লিনিকেও অংশ নেবেন মেসি। তবে লেকটাউনে মূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে মেসির যাওয়া নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা রয়েছে।



