Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ছন্দহীন বরুণের উপরই আস্থা মর্কেলের

অভিষেক শর্মা ও বরুণ চক্রবর্তী। টিম ইন্ডিয়ার দুই অস্ত্র। কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপের আগে দু’জনেই র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে। কিন্তু প্রতিযোগিতা এগনোর সঙ্গে সঙ্গে বিবর্ণ উভয়েই।

ছন্দহীন বরুণের উপরই আস্থা মর্কেলের
  • ৫ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মুম্বই: অভিষেক শর্মা ও বরুণ চক্রবর্তী। টিম ইন্ডিয়ার দুই অস্ত্র। কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপের আগে দু’জনেই র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে। কিন্তু প্রতিযোগিতা এগনোর সঙ্গে সঙ্গে বিবর্ণ উভয়েই। ইডেনে সঞ্জুর অবিশ্বাস্য ইনিংস ঢেকে দিয়েছিল অভিষেকদের ব্যর্থতা। কিন্তু বরুণের বিকল্প কোথায়? কুলদীপ যাদবের ঠিকানা যে ডাগআউটেই চিরস্থায়ী দেখাচ্ছে!

Advertisement

বিশ্বকাপের শেষ ১২ ওভারে বরুণ দিয়েছেন ১২২ রান। ইকনমি রেট ১০.১৭, যা একেবারেই প্রত্যাশিত নয়। বুধবার নেটে দীর্ঘ সময় বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলের তত্ত্বাবধানে বল করলেন তিনি। বোঝা গেল, ছন্দে ফেরার মরিয়া তাগিদ সঙ্গী ৩৪ বছর বয়সির। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য আস্থা রাখছে তাঁর উপর। প্রচারমাধ্যমে মর্কেল সাফ বললেন, ‘ওর যা স্কিল আর বৈচিত্র্য, তাতে প্রতি বলে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা ধরে। ওকে শুধু গতি ও লেংথের উপরে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। বেশি ভাবনাচিন্তার দরকার নেই। বরুণ আমাদের ম্যাচ উইনার।’ 
যে কোনও আসরের শেষ চারের ম্যাচ মানেই উত্তেজনার চোরাস্রোত। হ্যারি ব্রুকের দলের বিরুদ্ধে নামার আগে ভারতীয় শিবিরেও সঙ্গী টেনশন। এই ম্যাচকে ‘শ্যুট-আউট’ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। মর্কেল বললেন, ‘এই ম্যাচটা দুটো আগ্রাসী দলের মধ্যে শ্যুট-আউট। ইংল্যান্ড রীতিমতো শক্তিশালী। ওদের ব্যাটিং গভীরতা মারাত্মক। ভয়ডরহীন ক্রিকেট উপহার দেয়। আমার মনে হয়, যে দল আগে কন্ডিশন পড়তে পারবে, তারাই শেষ হাসি হাসবে।’
এমনিতে ওয়াংখেড়ের পিচে চলতি আসরে স্পিনার, পেসার সবাই সমান সাহায্য পেয়েছে। জোরে বোলাররা  নিয়েছেন ৪৩টি উইকেট, স্পিনাররা ৪২টি। আবার লাল মাটির পিচে বাউন্স থাকায় শট খেলতেও সুবিধা হচ্ছে ব্যাটারদের। ভারত এখানেই আমেরিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল। সেই ম্যাচে ৪৯ বলে ৮৪ রানের ইনিংসে তফাত গড়ে দেন সূর্যকুমার যাদব। ঘরের মাঠে ফের তাঁর কাছে বড় রানের ইনিংস চাইছেন সমর্থকরা।
মনে রাখতে হবে, বিশ্বকাপের আগে যে প্রতাপ দেখা যাচ্ছিল ভারতীয় দলে, তা ক্রমশ উধাও। আর তার নেপথ্যে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিকতার অভাব। কোনওদিন সঞ্জু, কোনওদিন হার্দিক বা তিলকরা জ্বলে উঠছেন। কিন্তু ক্রমাগত ক্যাচ ফেলার রোগ না সারলে ঘরের মাঠে কাপ জয়ের স্বপ্ন ডুবতেই পারে সমুদ্রে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ