Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

মারাঠি অস্মিতা: রাজ থ্যাকারের মিছিলে উদ্ধব-শারদের দল, আক্রান্ত সিন্ধে-পন্থী শিবসেনার মন্ত্রী

মারাঠি ‘অস্মিতা’ রক্ষার ডাক দিয়ে সমর্থকদের পথে নামার ডাক দিয়েছেন মহারাষ্ট্র নবনির্বাণ সেনার প্রধান রাজ থ্যাকারে। তাঁর সমর্থনে এগিয়ে এসেছে শিবসেনা (উদ্ধব) এবং শারদ পাওয়ারের এনসিপি।

মারাঠি অস্মিতা: রাজ থ্যাকারের মিছিলে উদ্ধব-শারদের দল, আক্রান্ত সিন্ধে-পন্থী শিবসেনার মন্ত্রী
  • ৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: মারাঠি ‘অস্মিতা’ রক্ষার ডাক দিয়ে সমর্থকদের পথে নামার ডাক দিয়েছেন মহারাষ্ট্র নবনির্বাণ সেনার প্রধান রাজ থ্যাকারে। তাঁর সমর্থনে এগিয়ে এসেছে শিবসেনা (উদ্ধব) এবং শারদ পাওয়ারের এনসিপি। মঙ্গলবার এই তিন রাজনৈতিক দলের মিছিল ঘিরে রণেক্ষেত্রের চেহারা নিল থানে জেলার মীরা ভায়ান্দর এলাকা। এখানেই মারাঠিতে কথা না বলার জন্য আক্রান্ত হয়েছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তা নিয়ে উত্তেজনা আগে থেকেই ছিল। মঙ্গলবার এমএনএসের মিছিল ঘিরে সেই উত্তেজনা বেড়েছে বহুগুণ। বেশ কয়েকজন এমএনএস কর্মীকে আটক করে পুলিস। মিছিলের জন্য পুলিসের পক্ষ থেকে বিকল্প রাস্তার কথা বলা হয়। তবে তা মানতে রাজি হয়নি রাজের দল। এজন্য এমএনএসের থানে এবং পালঘর শাখার প্রধান অবিনাশ যাদবকে আটক করেছে পুলিস। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিসের ধস্তাধস্তি বেধে যায়। 

Advertisement

স্থানীয় টিভি চ্যানেলগুলিতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে টেনে হিঁচড়ে মহিলা এমএনএস কর্মীদের পুলিস ভ্যানে তোলা হচ্ছে। প্রতিবাদ স্থলে পৌঁছনোর আগেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। বিকেলে প্রতিবাদ স্থলে গিয়ে আক্রান্ত হন একনাথ সিন্ধেপন্থী শিবসেনা নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী প্রতাপ সরনাইক। তবে পুরো বিষয়টির জন্য পুলিসকেই দুষেছেন মন্ত্রী। প্রতাপ বলেন, ‘পুলিসের কাজ সম্পূর্ণ ভুল। মারাঠিদের স্বার্থে কোনও শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দেওয়ার নির্দেশ সরকার দেয়নি। পুলিসের এই ধরনের কাজ অনভিপ্রেত।’  
বাধ্য হয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। তিনি বলেন, ‘মিছিলের অনুমতি দিতে বাধা নেই। তবে যে পথে এমএনএস মিছিল করতে চেয়েছিল, সেখানেই আগে থেকেই অন্য একটি সংগঠন মিছিলের ছাড়পত্র পেয়েছিল। সেজন্য পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি হতে পারত। তাই তাদের বিকল্প রুট বেছে নিতে বলা হয়। তবে ওরা ওই পথেই মিছিল নিয়ে যেতে অনড় ছিল।’ এ প্রসঙ্গে এমএনএস নেতা সন্দীপ দেশপান্ডে বলেন, ‘মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, বিকল্প রুট বেছে নিলেই মিছিলের অনুমতি দেওয়া হতো। এটা আসলে আমাদের কণ্ঠ দমন করা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ