


নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কৃষ্ণনগর লোকসভার সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এই নতুন আইনকে অসাংবিধানিক বলে তিনি দাবি করেন। পাশাপাশি এই আইনের মাধ্যমে ওয়াকফ সম্পত্তিতে সংখ্যালঘুদের ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মহুয়া। বুধবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় মামলা করার বিষয়টি তিনি সামনে আনেন। এব্যাপারে সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, ওয়াকফ সংশোধনী আইন সম্পূর্ণভাবে অসাংবিধানিক। এর মাধ্যমে ওয়াকফ সম্পত্তিতে সংখ্যালঘু মানুষদের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। যা নিয়ে আমি সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছি। নয়া ওয়াকফ আইন নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করে সংখ্যালঘু মানুষদের পাশে থাকার বার্তা তিনি দিয়েছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
সংসদে দুই কক্ষে পাশ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও সম্মতি দিয়েছেন ওয়াকফ সংশোধনী বিলে। ফলে তা আইনে পরিণত হয়েছে। কিন্তু, নয়া এই আইনের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে অন্তত ১০টি মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। আগামী ১৬ এপ্রিল একত্রে সেই মামলাগুলি শুনবে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।
চব্বিশের নির্বাচনে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। প্রায় ৬০ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। এই জয়ের পিছনে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কই ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা কমেন্ট বক্সে, মহুয়ার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে। তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি লিলুফার হোসেন শেখ বলেন, আমাদের নেত্রী সবসময় মানুষের পাশে থাকেন। বিজেপির আনা ওয়াকফ আইন সম্পূর্ণভাবে অসাংবিধানিক। তাই নিয়েই আমাদের সাংসদ লড়ছেন।কালীগঞ্জ ব্লকের তৃণমূলের সহ সভাপতি জিয়াউর রহমান বলেন, বিজেপি যেভাবে সংখ্যালঘু মানুষের অধিকারকে খর্ব করছে, তা নিন্দনীয়। আমাদের সাংসদ তার বিরুদ্ধেই এবার রুখে দাঁড়িয়েছেন।