


ক্রিকেট
এশিয়া কাপেও চ্যাম্পিয়ন ভারত। ২৮ সেপ্টেম্বর টি-২০ ফাইনালে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারায় সূর্যকুমার যাদবের দল। ভারতীয় ক্রিকেটারদের হাত না মেলানো নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। পিসিবি’র চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির থেকে ট্রফি নিতে রাজি হয়নি টিম ইন্ডিয়া। আজও ট্রফি পড়ে দুবাইয়ে।
নভেম্বর-ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইটওয়াশ (০-২) হয় ভারত। গতবছর নিউজিল্যান্ডও এদেশে এসে ৩-০ দুরমুশ করেছিল। গম্ভীর কোচ হওয়ার পর এই ফরম্যাটে ভারতের দাপট চুরমার।
টি-২০ ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন গত বছরই। এবছর টেস্ট থেকেও অবসর নিলেন রোহিত শর্মা (৭ মে) ও বিরাট কোহলি (১২ মে)। তবে ওডিআই ফরম্যাটে দুই মহারথীর দাপট অব্যাহত। অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজের সেরা হন রোহিত। ঘরের মাঠে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে সিরিজ সেরা হন কোহলি।
আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ১৭ মরশুম পর ট্রফি ওঠে বিরাট কোহলির হাতে। ৩ জুন মোতেরায় ফাইনালে আরসিবি ৬ রানে হারায় পাঞ্জাব কিংসকে।
‘চোকার্স’ তকমা মুছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জয় দক্ষিণ আফ্রিকার। ১১ জুন লর্ডসে শুরু হওয়া ফাইনালে প্রোটিয়ারা ৫ উইকেটে হারায় অস্ট্রেলিয়াকে।
২৩ নভেম্বর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল স্মৃতি মান্ধানার। কিন্তু ভারতীয় মহিলা দলের তারকা ওপেনারের বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন সেদিনই। ফলে স্থগিত হয়ে যায় বিয়ে। পরে স্মৃতি নিজেই বিয়ে ভেঙে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
মহিলাদের ওডিআই বিশ্বকাপে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন ভারত। ২ নভেম্বর নভি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে ফাইনালে হরমনপ্রীত কাউরের দল ৫২ রানে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শ্রেষ্ঠত্বের পতাকা ওড়ায় রোহিত শর্মার দল। ৯ মার্চ দুবাইয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারায় টিম ইন্ডিয়া।
ওডিআই ক্রিকেটে ৫৩ তম সেঞ্চুরি বিরাটের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর মোট শতরান আপাতত ৮৪।
টেনিস
৮ জুন ফরাসি ওপেন ও ৮ সেপ্টেম্বর ইউএস ওপেনে পুরুষদের সিঙ্গলসে জয়ী কার্লোস আলকারাজ।
২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও ১৩ জুলাই উইম্বলডনে পুরুষদের সিঙ্গলসে জয়ী জানিক সিনার।
এবছরও নোভাক জকোভিচ কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতেননি। সার্বিয়া ছেড়ে তিনি এখন গ্রিসের এথেন্সের বাসিন্দা।
২৬ জানুয়ারি মহিলাদের সিঙ্গলসে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জেতেন ম্যাডিসন কিজ।
৭ জুন মহিলাদের সিঙ্গলসে ফরাসি ওপেনে চ্যাম্পিয়ন কোকো গফ।
১২ জুলাই উইম্বলডনে মহিলাদের সিঙ্গলসে বাজিমাত ইগা সুইয়াটেকের।
৭ সেপ্টেম্বর মহিলাদের সিঙ্গলসে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে জয়ী আরিনা সাবালেঙ্কা।
ব্যাডমিন্টন
পিভি সিন্ধু ও এইচএস প্রণয়ের ক্ষেত্রে ভালো গেল না বছরটা। পায়ের চোট ভোগাল সিন্ধুকে। আর পেশির চোট কাঁটা হয়ে উঠল প্রণয়ের পথে।
২৩ নভেম্বর বিডব্লুএফ অস্ট্রেলিয়ান ওপেন সুপার ৫০০ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন লক্ষ্য সেন। এটাই তাঁর বছরের প্রথম খেতাব।
জ্যাভেলিন থ্রো
প্রথমবারের জন্য ৯০ মিটারের গণ্ডি টপকালেন নীরজ চোপড়া। ১৬ মে দোহা ডায়মন্ড লিগে তিনি ছোড়েন ৯০.২৩ মিটার, যা জাতীয় রেকর্ড। জুলাইয়ে বেঙ্গালুরুতে নীরজ চোপড়া ক্লাসিকও জেতেন তিনি।
দাবা
জর্জিয়ার বাটুমিতে ২৮ জুলাই ফিডে মহিলাদের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হন দিব্যা দেশমুখ। মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রথম ভারতীয় মহিলা দাবাড়ু হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেন তিনি। ফাইনালে দিব্যা হারান স্বদেশীয় কোনেরু হাম্পিকে।
হকি
আট বছর পর এশিয়া কাপ হকিতে উড়ল তেরঙ্গা। ৭ সেপ্টেম্বর রাজগিরে ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে হারায় ভারত। একইসঙ্গে পরের বছর বিশ্বকাপের যোগ্যতাও অর্জন করে।
ফুটবল
আইএসএল নিয়ে অনিশ্চয়তা। ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা চরমে।
১০ আগস্ট ভারতের মহিলারা এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ উওমেন্স এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন করলেন। কুড়ি বছর পর এল এই সাফল্য।
১৮ অক্টোবর মহিলাদের এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন ভারতের সিনিয়র মহিলা দলের।
১৮ নভেম্বর এএফসি চ্যাম্পিয়ন কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে বাংলাদেশের কাছে লজ্জার পরাজয়। ২২ বছর পর প্রতিবেশীর কাছে বশ মানল ভারত।
১ ডিসেম্বর অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ২০২৬ এর যোগ্যতা অর্জন করে ভারত।
কলকাতার প্রথম দল হিসেবে এক মরশুমে আইএসএল লিগ-শিল্ড ও কাপ জয়ের নজির গড়ে মোহন বাগান। লিগ পর্বে শীর্ষস্থানে শেষ করার পাশাপাশি ফাইনালে বেঙ্গালুরুকে ২-১ গোলে হারান দিমিত্রি-ম্যাকলারেনরা।
১৩ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ভারত সফরে এসেছিলেন লায়োনেল মেসি। কলকাতা, হায়দরাবাদ, মুম্বই, দিল্লি ও জামনগরে যান তিনি। একই মঞ্চে ছিলেন মেসি ও শচীন তেন্ডুলকর।
২০ ডিসেম্বর মহিলা স্যাফ ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী ইস্টবেঙ্গল প্রমীলা ব্রিগেড।
প্যারা-অ্যাথলেটিকস
এই প্রথমবার ভারতে হল বিশ্ব প্যারা অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপ। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত হওয়া আসরে ছয়টি সোনা, ন’টি রুপো ও সাতটি ব্রোঞ্জ মিলিয়ে মোট ২২ পদক ভারতের।
স্কোয়াশ
স্কোয়াশ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল ভারত। ১৪ ডিসেম্বর চেন্নাইতে ফাইনালে শীর্ষ বাছাই হংকংকে দাপটে ৩-০ ব্যবধানে হারাল আয়োজক দেশ।
তারাদের দেশে
ক্রিকেটে ডিকি বার্ড, দিলীপ দোশি, আবিদ আলি, ববি সিম্পসন, রবিন স্মিথ, বার্নার্ড জুলিয়েন, কিথ স্ট্যাকপোল, ব্যারি নাইট, বব কাউপার, ওয়াজির মহম্মদ, পিটার লেভার, পদ্মাকর শিভালকর।
ফুটবলে দিয়েগো জোতা, ডেনিস ল। দাবায় বরিস স্প্যাসকি বক্সিংয়ে জর্জ ফোরম্যান। অ্যাথলেটিক্সে ফৌজা সিং। কুস্তিতে হাল্ক হোগান।