নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: পুরসভার অনুমতি নিয়েই কাজ করছিলেন তিনি। কিন্তু, এলাকায় কাজ করলে দিতে হবে ‘তোলা’। তাও আবার কড়কড়ে ৫০ লক্ষ টাকা! অভিযোগ, সেই টাকা চেয়েছিলেন খোদ এলাকার কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তী। ওই টাকা না দেওয়ায় রিভলবারের বাঁট দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল প্রোমোটারের। রবিবার প্রকাশ্যে দিনের আলোয় নির্মাণ সাইটে গিয়ে কাউন্সিলারের লোকজন প্রোমোটারকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ। আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর এক আত্মীয় এবং আরও দুই শ্রমিক। প্রোমোটার কিশোর হালদার রক্তাক্ত অবস্থায় নিজেই বাগুইআটি থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি কাউন্সিলারের নামও উল্লেখ করেছেন। এই ঘটনায় পুলিস বিকেলে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকিদের গ্রেপ্তার করতে এলাকায় তল্লাশি চলছে। তোলা চাওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।
Advertisement
বাগুইআটি থানা থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে বিধাননগর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর এলাকা। সেখানে একটি বহুতল নির্মাণ করছেন কিশোর হালদার। অভিযোগ, ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তী পুজোর আগে থেকেই তাঁর কাছে তোলা চাইছেন। ঘটনার পর কিশোরবাবু বলেন, ‘কাউন্সিলার আমার কাছে ৫০ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিলেন। কিন্তু, আমি বলেছিলাম, এত টাকা দিতে পারব না। মিষ্টি খেতে কিছু দেব। আমি তাঁকে তিন লক্ষ টাকা দিয়েছি। কালীপুজোর সময় আরও এক লক্ষ টাকা চাঁদাও দিয়েছি। কিন্তু, কাউন্সিলারের দাবি, ৫০ লক্ষ টাকাই দিতে হবে। এক টাকা কম দিলে হবে না। এর আগে তাঁর অফিসেও গিয়েছি। তিনি যে তোলা চেয়েছিলেন, তার প্রমাণ আমার কাছে আছে।’
কিশোর হালদার বলেন, ‘একবার সাইটে পুলিস পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করতে চেয়েছিলেন কাউন্সিলার। পুলিস সেবার এক শ্রমিককে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। পরে আমি বৈধ নথিপত্র দেখালে পুলিস ওই শ্রমিককে ছেড়ে দেয়। এদিন আমরা সাইটে দাঁড়িয়েছিলাম। আচমকা কাউন্সিলারের লোকজন এসে আমাদের উপর চড়াও হয়। রিভলবারের বাঁট দিয়ে মেরে আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়। আমি কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ করেছি। ব্যবস্থা না নেওয়া হলে হাইকোর্টে যাব।’ কিশোরবাবু বলেন, ‘আমি নিজেও তৃণমূল কংগ্রেসের একজন কর্মী। আগে দলের বুথ সভাপতি ছিলাম। এই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাব বলে ভেবেছি।’
এদিকে, অভিযুক্ত কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি। বিধাননগর কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, প্রোমোটারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। যারা মারধর করেছে, ইতিমধ্যেই তাদের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
কিশোর হালদার বলেন, ‘একবার সাইটে পুলিস পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করতে চেয়েছিলেন কাউন্সিলার। পুলিস সেবার এক শ্রমিককে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। পরে আমি বৈধ নথিপত্র দেখালে পুলিস ওই শ্রমিককে ছেড়ে দেয়। এদিন আমরা সাইটে দাঁড়িয়েছিলাম। আচমকা কাউন্সিলারের লোকজন এসে আমাদের উপর চড়াও হয়। রিভলবারের বাঁট দিয়ে মেরে আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়। আমি কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ করেছি। ব্যবস্থা না নেওয়া হলে হাইকোর্টে যাব।’ কিশোরবাবু বলেন, ‘আমি নিজেও তৃণমূল কংগ্রেসের একজন কর্মী। আগে দলের বুথ সভাপতি ছিলাম। এই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাব বলে ভেবেছি।’
এদিকে, অভিযুক্ত কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি। বিধাননগর কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, প্রোমোটারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। যারা মারধর করেছে, ইতিমধ্যেই তাদের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।



