নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বামফ্রন্টের দলগুলোর সঙ্গে সিপিআই (এমএল) লিবারেশন ও আরজেডি বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন দপ্তর অভিযানে নামল। তাদের অভিযোগ, এসআইআরের মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত শুরু হয়েছে। তা রুখে দিতে হবে। মিছিল শুরু হয় টি বোর্ড থেকে। ব্যারিকেড করে সেই মিছিল আটকে দেওয়া হয় কমিশনের দপ্তরের অদূরে। সেখানেই সারারাত অবস্থান করেন বামেরা। বিকেল হতে ইফতার করা হয় রাস্তাতেই। নেতৃত্বের অভিযোগ, রাত ৮টা নাগাদ প্রশাসনের তরফে অবস্থান তুলে দেওয়ার চেষ্টা হয়।
সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম একে ‘ছক ভাঙা আন্দোলন’ বলছেন। মিছিল আটকাতে পুলিশ শক্তপোক্ত ব্যারিকেড রেখেছিল। তা টপকানোর চেষ্টা করেননি নেতৃত্ব। ব্যরিকেডের ওপারেই বক্তব্য রাখেন বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়রা। এসআইআর নিয়ে এর আগে ওই স্থানেই জনসভা করেছিল বামেরা। এবার দীর্ঘ অবস্থানের সিন্ধান্ত ভোটের আগে কর্মী-সমর্থকদের উত্সাহ জোগাবে বলেই মনে করছেন নেতৃত্ব। সেলিম বলেন, ‘সঠিক ভোটার তালিকা ছাড়া ভোট হবে না।’ বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, ‘দিল্লি থেকে বলল, ডেপুটেশন সিইও নেবেন। এখন সিইও বলছেন, তিনি পারবেন না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নিয়ম প্রতিবাদ করা। সিইও না এলে আমরা অনেকক্ষণ থাকব। ধর্ম, ভাষা, জাতের ভিত্তিতে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বাংলার জনগণকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে।’ আজ, দুপুরে ওই স্থানেই বামফ্রন্টের জনসভা হওয়ার কথা রয়েছে।
এই কর্মসূচিতে আরজেডি যোগ দেওয়ায় জল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি বামেরা তেজস্বীর দলের জন্য আসন ছাড়ছে? যদিও এর আনুষ্ঠানিক উত্তর পাওয়া যায়নি। আলিমুদ্দিনের এক নেতার কথায়, আগে সঠিক ভোটার তালিকা, পরে প্রার্থী তালিকা। এদিন বাম শরিক দলের নেতাদের মধ্যে আরএসপি নেতা মনোজ ভট্টাচার্য, সিপিআই নেতা গৌতম রায়, প্রবীর দেব, লিবারেশন নেতা কার্তিক পাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। নিজস্ব চিত্র