Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৬০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া দঃ দিনাজপুর জেলায়

৬০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া দঃ দিনাজপুর জেলায়
  • ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, পতিরাম: বাড়ি থেকে শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ সরকারি ও বেসরকারি নানা অফিসের বিদ্যুত্ বিল বাকি পড়েছে প্রায় ৬০ কোটি টাকা!  বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে খবর, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রায় ৩৫ হাজার উপভোক্তার কাছ থেকে এই টাকা উদ্ধার করতে শীঘ্রই বিশেষ অভিযান শুরু হবে।
Advertisement
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে খবর, মূলত যাদের বিল পাঁচ হাজার টাকার বেশি, সেই অঙ্ক যোগ করেই ৬০ কোটি দাঁড়িয়েছে। এর কম বকেয়ার অঙ্ক যোগ করলে  পরিমাণ আরও বাড়বে। বিল বাকি রাখা ৩৫ হাজার গ্রাহকের মধ্যে গঙ্গারামপুর মহকুমায় রয়েছে ২৫ হাজার। চারটি ব্লকের মধ্যে শুধুমাত্র গঙ্গারামপুরে ১৩ হাজার উপভোক্তার বিল বকেয়া। 
দুয়ারে সরকার শিবিরে বকেয়া জমা দিলে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১ হাজার ৪০০ গ্রাহক ছাড়ের জন্য আবেদন করেছেন। বেশকিছু গ্রাহককে ছাড় মঞ্জুরও করেছে দপ্তর। মার্চ মাসের মধ্যে বকেয়া আদায় করতে বিশেষ অভিযান শুরু করতে চলেছে বিদ্যুত্ দপ্তর। চলবে বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কাজও।
বিদ্যুৎ দপ্তরের রিজিওনাল ম্যানেজার দীপঙ্কর দাস বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুর সাব ডিভিশন মিলিয়ে প্রায় ৬০ কোটি টাকা বিল বাকি। আমরা নোটিস দেওয়া শুরু করেছি। ফোন করে ও অন্যান্যভাবে বকেয়া জমা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। যাদের ২০১৮ সালের আগে থেকে বিল বকেয়া, তাঁরা দুয়ারে সরকারে আবেদন করলে বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। মার্চ মাসের মধ্যে বকেয়া আদায়ের আপ্রাণ চেষ্টা চলছে।
বিদ্যুত্ দপ্তর সূত্রে খবর, ২০১৮  পর্যন্ত বকেয়া বিলের ক্ষেত্রে দুয়ারে সরকার শিবিরে শর্তসাপেক্ষে ৫০ শতাংশ এবং বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বালুরঘাটে একটি ইংরেজিমাধ্যম স্কুল ও নার্সিংহোমের বকেয়া বিলে বিপুল  ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে এবার বিল না মেটানোয় দ্রুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পদক্ষেপ শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে। বালুরঘাটে জেলা কংগ্রেস কার্যালয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল বলে খবর। চলতি মাসে তপনের একটি স্কুলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর বকেয়া জমা দেওয়ায় ফের পরিষেবা চালু করা হয়েছে। দপ্তর জানিয়েছে, শুধুমাত্র জল সরবরাহ এবং হাসপাতালকে ছাড়ের আওয়ায় আনা হয়েছে। বাকি কোনও খাতেই বকেয়া বিল নিয়ে রেয়াত করা হবে না।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ