নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাবি মেনে ইন্টারনাল কমপ্লেইন্টস কমিটির (আইসিসি) নির্বাচন পিছিয়েই দিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার সেই মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়। আজ, কমিটিতে গবেষক প্রতিনিধি বাছার জন্য বৃহস্পতিবার এই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তা পিছিয়ে ২ ডিসেম্বর করা হয়েছে। ৩ ডিসেম্বর গণনা। নিয়ম ভেঙে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার অভিযোগ তুলে তা পিছোনোর দাবি তুলেছিল টিএমসিপি। তাই এটাকে প্রাথমিক জয় হিসেবে দেখছে তারা। অবশ্য নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হলেও ভোটার তালিকায় সংশোধনী এবং প্রার্থীপদে নতুন করে আবেদনের সুযোগ যে দেওয়া হচ্ছে না, তা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট। এতেই চটেছে টিএমসিপি। আজ, দুপুর ১টা থেকে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে অনশন অবস্থানে বসতে চলেছে তারা।
টিএমসিপির ইউনিট সভাপতি কিশলয় রায় বলেন, ‘এই বিজ্ঞপ্তি আসলে আই ওয়াশ। যদি কোনও সংশোধনই না করা হয়, তাহলে পিছিয়ে কী লাভ?’ একই প্রশ্ন সরকারপন্থী অধ্যাপক তথা এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের (ইসি) সদস্য মনোজিৎ মণ্ডলেরও। তিনি বলেন, ‘এর কারণ বুঝতে পারছি না। ইসি বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলে বোঝা যাবে।’
এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া পেতে উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যকে ফোন করা হয়। তাঁর ফোন বেজেই গিয়েছে, প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, সংখ্যাগুরু বামপন্থী রিসার্চ স্কলারদের চাপেই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যেকোনও যৌন অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত করে থাকে আইসিসি। তাই এর অংশীদার হতে রাজনৈতিকভাবেই রিসার্চ স্কলারদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে।



