Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

মহাকাশ থেকে ভারতকে দেখতে অপূর্ব লাগে: সুনীতা

মহাকাশ থেকে ভারতকে দেখতে অপূর্ব লাগে। পৃথিবীতে ফেরার পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন সুনীতা উইলিয়ামস।

মহাকাশ থেকে ভারতকে দেখতে অপূর্ব লাগে: সুনীতা
  • ২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিউ ইয়র্ক: মহাকাশ থেকে ভারতকে দেখতে অপূর্ব লাগে। পৃথিবীতে ফেরার পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন সুনীতা উইলিয়ামস। একইসঙ্গে ভারতে আসার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নভশ্চর। গুজরাতের মেহসানার ঝুলাসন গ্রামে সুনীতাদের পৈতৃক ভিটে। ১৯ মার্চ ফ্লোরিডার উপকূলে অবতরণ করেছিল স্পেসএক্সের ড্রাগন। সুনীতার সঙ্গে ভিতরে ছিলেন বুচ উইলমোর, নিক হেগ ও আলেকজান্দার গরবুনভ। ফেরার পরেই সুনীতাকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার ভারত সফর নিয়ে আগ্রহের কথা জানালেন নাসার মহাকাশচারী। 

Advertisement

মহাকাশ থেকে ভারতকে দেখতে কেমন লাগে? ৪১ বছর আগে রাকেশ শর্মাকে এই প্রশ্ন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। উত্তরে রাকেশ বলেছিলেন, ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা।’ সোমবার একই প্রশ্নের সম্মুখীন হলেন সুনীতা। বললেন, ‘ভারতকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছিল। যতবার হিমালয়ের উপর দিয়ে গিয়েছি, বুচ দারুন ছবি তুলেছেন। যা অত্যন্ত চমৎকার।’ 
গত ৫ জুন বুচের সঙ্গে স্পেস স্টেশনে গিয়েছিলেন সুনীতা। ঠিক ছিল, আটদিন কাটিয়ে ফিরে আসবেন। কিন্তু মহাকাশযানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ন’মাসের বেশি সময় ধরে মহাকাশ হয়ে উঠেছিল ঘরবাড়ি। সেখান থেকে বহুবার ভারতকে দেখার সুযোগ হয়েছে। সেই রঙিন ছবি দেখে মুগ্ধ সুনীতা। জানালেন পূর্ব ও পশ্চিমদিকে থাকা রাজ্য, শহরের বৈচিত্র্যের কথা। জানান, মুম্বই ও গুজরাতের উপকূলে মাছ ধরার জাহাজ দেখতে দারুন লাগে। একইসঙ্গে রাতে বড় এবং ছোট শহরে আলোর বর্ণনা দেন তিনি। স্পষ্ট জানালেন, দিন হোক বা রাত। এই দৃশ্য সবসময়  মন ভালো করে দেয়। 
গুজরাতের মেহসানার ঝুলাসন গ্রাম। ১৯৫৮ সালে এখান থেকেই আমেরিকা পাড়ি দিয়েছিলেন সুনীতার বাবা দীপক পান্ডিয়া। ভারত সফর নিয়ে সুনীতা বলেন, ‘আশা করছি, বাবার দেশে যাব। সেখানকার মানুষদের সঙ্গে দেখা করব। এক্সিয়ম অভিযানের সদস্য হিসেবে মহাকাশে যাচ্ছেন এক ভারতীয় নাগরিক। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে মুখিয়ে রয়েছি।’ এক্সিয়ম-৪ অভিযানের অন্যতম সদস্য লখনউয়ের শুভাংশু শুক্লা। সুনীতা বলেন, ‘মহাকাশ স্টেশন নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানানোর সুযোগ পাবেন তিনি। লখনউবাসী নিজেদের হিরোকে প্রত্যক্ষ করতে পারবে। মহাকাশ গবেষণায় দারুন কাজ করছে ভারত। সেই যাত্রার শরিক হয়ে ভবিষ্যতে সাহায্য করতে পারলে খুশি হব।’  ইসরোর গবেষকদের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছাপ্রকাশও করেন সুনীতা। 
বুচ ও নিকদের ভারতে নিয়ে আসবেন? হাসিমুখে সুনীতার উত্তর, ‘নিশ্চয়ই। মশলাদার খাবার খাওয়াব। খুব মজা হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ