


নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: আড়ালে নয়, শহর সংলগ্ন গ্রামেই রমরমিয়ে চলছিল পোস্ত চাষ। গোপন সূত্রে তা জানতে পেরে বৃহস্পতিবার হুগলির বলাগড়ের রুকেশপুর গ্রামে অভিযান চালায় গ্রামীণ পুলিস। প্রায় ১২ কাঠা জমিতে অবৈধভাবে চাষ করা পোস্ত গাছের চারা নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বারবার অভিযান চালালেও চোর-পুলিস খেলায় যেভাবে জেলাজুড়ে পোস্ত চাষের রমরমা কারবার শুরু হয়েছে, তা পুলিসের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
এদিন হুগলি গ্রামীণ পুলিসের ডিএসপি (ক্রাইম) অভিজিৎ সিনহা মহাপাত্র, সিআই সৌমেন বিশ্বাস ও বলাগড় থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সোমদেব পাত্রের নেতৃত্বে সৃজা কামালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রুকেশপুরের বিভিন্ন এলাকায় পোস্ত চাষের খেত নির্মূল করতে অভিযান চালানো হয়। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিস জানিয়েছে, এই ধরনের বেআইনি চাষবাসের সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের পাকড়াও করে মাদক বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বারবার পোস্ত চাষের জমিতে অভিযান চালিয়েও পোস্তচাষিদের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায় না। যাঁদের জমি, তাঁদের অজ্ঞাতসারেই নাকি চলে চাষবাস। প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে হুগলির পোলবা থানার ডুবির ভেরি, ডাকাতিয়া মৌজা, করিচাতে অভিযান করে সেই সব এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে প্রায় ১২ কাঠাতে পোস্তর চাষ নির্মূল করেছিল পুলিস। জেলার বিভিন্ন চর এলাকায় আড়ালে আবডালে পোস্ত চাষের নামে আফিম ও হেরোইন উৎপাদন আগেই শুরু হয়েছে। কিন্তু এবার শহর সংলগ্ন এলাকাতেও যেভাবে অবৈধ পোস্ত চাষ শুরু হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলার পুলিসকর্তারা।-নিজস্ব চিত্র