


সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: খালে বস্তা, পলিথিন, বোতল ফেলা দণ্ডনীয় অপরাধ। দশ হাজার টাকা জরিমানা। আদেশানুসারে, ডিহিমণ্ডলঘাট এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত। এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে সম্প্রতি জরিমানা আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্যামপুর দু’নম্বর ব্লকের ডিহিমণ্ডলঘাট এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত। বিভিন্ন জায়গায় এই মর্মে ফ্লেক্স টাঙানো হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই উঠেছে সমালোচনার ঝড়। সাধারণ মানুষকে সচেতন না করে কিভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত এই ধরনের নির্দেশ দিতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, বির্তকে জল ঢালতে ফ্লেক্স খুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ।
জানা গিয়েছে ডিহিমণ্ডলঘাট এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৫টি সংসদে প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস। এছাড়াও একাধিক বাজার আছে। এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে বছর দু’য়েক আগে তৈরি হয়েছিল কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্প। এক বছর সেটি ভালোভাবে চলেছে। তবে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে। বন্ধই হয়ে যায়। ফলে বিভিন্ন জায়গায় আর্বজনা জমা হতে শুরু করে। খাল, বিল এবং অন্যান্য জলাশয়গুলিতে আর্বজনা ফেলতে শুরু করেন বাসিন্দারা। সে কাজ আটকাতে জরিমানার পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় পঞ্চায়েত। জরিমানার অঙ্ক কম নয়। ১০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য হয়েছে। এই নির্দেশ সামনে আসতেই সমালোচনার ঝড়। আতিয়ার খান নামে এক কংগ্রেস নেতা জানান, সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। পঞ্চায়েত ব্যর্থতা ঢাকতে ফ্লেক্স টাঙিয়েছে। ডিহিমণ্ডলঘাট এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুদীপ বেরা জানান, জঞ্জাল সংগ্রহের গাড়ির চালকের অভাব। তাই প্রকল্প বন্ধ হয়ে আছে। চারিদিক আর্বজনায় ভরে উঠছে। তা আটকাতে জরিমানার ফ্লেক্স টাঙানো হয়েছে। তবে জরিমানা নয় মানুষকে সচেতন করতেই ফ্রেক্স টাঙানো হয়েছে। তবে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় ফ্লেক্স খুলে নেওয়া হবে। শ্যামপুর দু’নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি নদেবাসী জানা জানান, বিয়ষটি তাঁর জানা নেই। খোঁজখবর করে দেখবেন। এই ধরনের ফ্লেক্স টাঙানো হয়ে থাকলে তা খুলে নিতে বলা হবে।