


লন্ডন, ২২ জুন: প্রয়াত হলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন পেসার ডেভিড লরেন্স। বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই স্নায়ুজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মোটার নিউরন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে বর্তমানে তাঁর শরীরের পেশি দুর্বল ও শিথিল হতে শুরু করেছিল। বন্ধ হয়ে গিয়েছিল হাঁটাচলাও। এরপর আজ, রবিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা প্রথম ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার ছিলেন। ইতিমধ্যেই তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করা হয়েছে সেদেশের ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে। জানানো হয়েছে, ডেভিড লরেন্সের মৃত্যুতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সকলেই শোকাহত। পাশাপাশি তাঁর পরিজনদের জন্য সমবেদনাও প্রকাশ করা হয়েছে। প্রয়াত ক্রিকেটারকে শ্রদ্ধা জানাতে আজ লিডস টেস্টের তৃতীয়দিনে কালো ব্যাজ পরে মাঠে নামেন ভারত-ইংল্যান্ড দুই দলেরই ক্রিকেটাররা।
উল্লেখ্য, বিধ্বংসী এই বোলার ১৯৮৮-১৯৯২ সালের মধ্যে পাঁচটি টেস্ট এবং একটি ওয়ান-ডে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন। ৯২ সালে ওয়েলিংটনের একটি টেস্ট ম্যাচে হাঁটুতে চোট পাওয়ার কারণে তাঁর কেরিয়ার সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়। তখন তাঁর বয়স ছিল ২৮ বছর। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট কেরিয়ারে প্রায় পুরো সময়টাই গ্লুচেস্টারশায়ারেই কাটিয়েছেন তিনি। ক্লাবের হয়ে নিয়েছেন ৫১৫টি উইকেট। ১৯৮৮ সালে ব্রিস্টলে তাঁর ক্লাবের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ লেখেছিল সেই সময়ে ইংল্যান্ড সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিম। খেলা চলাকালীন লরেন্সের বল মাথায় লাগায় সাময়িক হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ক্রিকেটার ফিল সিমন্সের। পরবর্তীকালে অবশ্য সিমন্সের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করার পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরেছিলেন তিনি।