নয়াদিল্লি: খাদ্যপণ্যের দাম কমেছে। এর হাত ধরে খুচরো বাজারে মুদ্রাস্ফীতির সামগ্রিক হার কমে সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন হল। গত জানুয়ারিতে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৪.৩১ শতাংশ। মূলত সব্জি, মাছ, ডিম, মাংস, ডাল ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম কমায় ফেব্রুয়ারি মাসে তা কমে হয়েছে ৩.৬১ শতাংশ। বুধবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য মিলেছে। এর ফলে ২০২৪ সালের পর থেকে এই প্রথম রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (আরবিআই) নির্ধারিত মধ্য-মেয়াদি ৪ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার নীচে নামল মুদ্রাস্ফীতির হার। খাদ্যপণ্যের দাম সস্তা হওয়ার পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। জানুয়ারি মাসে বৃদ্ধির ছিল ৫ শতাংশ। আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এই হার ছিল ৩.২ শতাংশ। মূলত উৎপাদন ও খনি ক্ষেত্রে ভালো পারফরমেন্সের হাত ধরে বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশে পৌঁছে গেল।
সরকারি সূত্রে খবর, খাদ্যপণ্যের দাম কমার ফলেই মূলত সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতির হার নিম্নমুখী হয়েছে। পৃথকভাবে খাদ্যদ্রব্যের মুদ্রাস্ফীতির হার জানুয়ারি মাসে ৫.৯৭ শতাংশ থেকে কমে ফেব্রুয়ারিতে ৩.৭ শতাংশ হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে খাদ্যপণ্যে মুদ্রাস্ফীতির হার কমে হয়েছে ৪.০৬ শতাংশ। শহরে হয়েছে ৩.২০ শতাংশ। ঘটনাচক্রে, আরবিআইয়ের সর্বশেষ আর্থিক নীতি নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৬.২৫ শতাংশ করেছিল। লক্ষ্য ছিল, নগদের জোগান বাড়িয়ে আর্থিক কর্মকাণ্ডকে চাঙ্গা করে তোলা। শীর্ষ ব্যাঙ্কের পরবর্তী বৈঠক রয়েছে আগামী মাসে। মুদ্রাস্ফীতির হার কমায় ঋণ গ্রহণ ও বিনিয়োগে উৎসাহ দিতে রেপো রেট আরও কিছুটা ছাঁটা হয় কি না, সেটাই এখন দেখার। তেমন হলে ইএমআইয়ের বোঝা খানিক কমতে পারে।



