


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আমতা থেকে বাগড়ি মার্কেট, মেহতা বিল্ডিং থেকে উল্টোডাঙা—গত কয়েকমাসে রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলের একটার পর একটা হানায় জাল ওষুধের উৎস পাওয়া যাচ্ছিল আগ্রায়। প্রেশার থেকে ভার্টিগো—বাংলায় বাজেয়াপ্ত হওয়া একাধিক রোগের জাল ওষুধ নিয়ে রাজ্যের তরফে বারবার অভিযোগ জানানো হচ্ছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিস ও সেখানকার ড্রাগ কন্ট্রোলকে। সেই সূত্র ধরে দু’সপ্তাহ ধরে রেকি করে এবং গ্রাহক সেজে ওষুধ কিনে নিশ্চিত হয়ে রবিবার আগ্রার একের পর এক ওষুধের গুদামে হানা দেন সেখানকার
এসটিএফ এবং ড্রাগ কন্ট্রোলের আধিকারিকরা। ছ’টি ওষুধের গুদামে হানা দিয়ে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১৫ বস্তা জাল ওষুধ। টাকার অঙ্কে যা প্রায় আড়াই কোটি টাকার। শুধু তাই নয়, অভিযান আটকাতে ভেজাল ওষুধ কারবারের ‘কিংপিন’ হিমাংশু আগরওয়াল এসটিএফ আধিকারিকদের সামনে ৫০০ টাকার নোট ভর্তি একটি ব্যাগ ফেলেন। তিনি বলেন, ‘১ কোটি আছে! যদি মনে করেন কম, ২ কোটি দেব!’ ফলে বোঝাই যাচ্ছে, জাল ওষুধের কারবার থেকে কারবারিরা কী বিপুল অঙ্কের মুনাফা করছে। বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাও উদ্ধার হয়েছে কারবারিদের কাছ থেকে। সে অঙ্ক এতটাই যে এসটিএফ নোট গুনতে মেশিন নিয়ে আসে। সূত্রের খবর, ওষুধগুলি পরীক্ষা করে চক্ষু চড়কগাছ আধিকারিকদের। দেখা যায়, ওষুধগুলির কিউআর কোড জাল। প্যাকেজিংও হুবহু।