


গান্ধীনগর: সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। গুজরাতের ভদোদরায় সেতু বিপর্যয়ে মৃত বেড়ে হল ১৯। জখম চারজন। তবে এখনও পর্যন্ত আরও দু’জনের সন্ধান মেলেনি। তাঁদের খোঁজে শুক্রবার সকালে মহিসাগর নদীতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও স্থানীয় ডুবুরিরা। ভদোদরার জেলাশাসক অনিল ধামেলিয়া জানান, এপর্যন্ত মোট ১৯টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে নদীতে কংক্রিটের স্ল্যাবের নীচে একটি মৃতদেহ আটকে রয়েছে। যে ট্রাকটি পড়েছিল, তাঁর চালককেও এখনও পাওয়া যায়নি। আপাতত ওই দু’জনকে উদ্ধার করতেই সকাল থেকে জারি তল্লাশি অভিযান।
জানা গিয়েছে, জল, কাদা আর সেতুর ধ্বংসস্তূপ পেরিয়ে দেহ উদ্ধার করতে রীতিমতো বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে। জলের মধ্যে সোডিয়াম কার্বনেট ছড়িয়ে পড়েছে। এর জেরে নদীতে নামার কিছুক্ষণ পরই উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের চুলকানি শুরু হচ্ছে। ফলে বারবার সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। নদীতে সালফিউরিক অ্যাসিড ভর্তি একটি ট্যাঙ্কারও পড়েছে। সেটি যাতে ফুটো না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। কাদা-জলে আটকে থাকা ট্রাক সহ আরও একাধিক যানবাহন টেনে বের করতে ভারতীয় সেনার একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ট্রাক ব্যবহার করা হচ্ছে।
বুধবার গম্ভীরা সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে ডাবল ইঞ্জিন রাজ্য গুজরাতের প্রশাসন। ৪৫ বছরের পুরনো গম্ভীরা সেতুর স্বাস্থ্য নিয়ে আগেই একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। স্থানীয়দের কথায়, সেতুর বেহাল দশা নিয়ে প্রশাসনের কাছে বারবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই চার ইঞ্জিনিয়ারকে সাসপেন্ড করেছেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী।