


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আসন্ন নির্বাচনে ১০০ শতাংশ বুথে ক্যামেরা বসিয়ে নজরদারি চালানো হবে। থাকবে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। একথা আগেই ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। ক্যামেরা বসানো থেকে শুরু করে ভিডিয়ো রেকর্ডিং, সংরক্ষণ সহ একাধিক বিষয় নিয়ে এসওপি জারি করেছে কমিশন। ক্যামেরা সরবরাহ সংস্থার তরফে সুপারভাইজার হিসাবে যাঁদের দেওয়া হবে, তাঁদের নিযুক্ত করার আগে একাধিক বিষয় দেখে নেওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা ঘনিষ্ঠতা আছে কি না, তা খোঁজ করে দেখে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর তাঁদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে কি না, সেটা পুলিশ ভেরিফিকেশন করে দেখা হবে। জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচনি আধিকারিকরা এই বিষয়টি দেখবেন। প্রসঙ্গত, ১০টি বুথ পিছু একজন করে সুপারভাইজার থাকবেন। ক্যামেরা বসানো থেকে খোলা পর্যন্ত তাঁর দায়িত্ব থাকবে।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে একাধিক কড়া পদক্ষেপের কথা জানিয়েছিল কমিশন। তার মধ্যে একটি হল প্রতি বুথের ভিতরে ও বাইরে সিসি ক্যামেরা বসানো। স্পর্শকাতর বুথে তিনটি ক্যামেরাও বসানো হতে পারে। কিন্তু ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারির জন্য কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে এবং কোনটা করা যাবে আর কোনটা নয়, তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হল নির্বাচানি আধিকারিকদের। ক্যামেরা লাগানোর পর তা দেখাভালের জন্য প্রতি বিধানসভায় একটি করে নজরদারি দল তৈরি করতে হবে। তারা বুথগুলিতে ঠিক মতো ক্যামেরা চলছে কি না, তার খোঁজ রাখবে। ভোটগ্রহণের দু’দিন আগে ক্যামেরাগুলির পরীক্ষা করা হবে। ভোটের ঠিক আগেরদিন জেলা নির্বাচনি আধিকারিক কন্ট্রোল রুম থেকে ক্যামেরা রেকর্ডিং লাইভ দেখবেন। এক ঘণ্টা টানা নিরবচ্ছিন্নভাবে যদি সব রেকর্ডিং হয়, তাহলেই ক্যামেরার মাধ্যমে রেকর্ডিং পরীক্ষা সফল হিসাবে গণ্য করা হবে। ভোটের সময় বুথের সব রেকর্ডিং সংরক্ষণ করে জেলা নির্বাচনি আধিকারিক বা জেলাশাসকের জিম্মায় থাকবে। জেলা ও রাজ্যস্তরে একটি করে কন্ট্রোল রুম থাকবে, যেখান থেকে ওয়েব কাস্টিং কেমন চলছে, তার নজর রাখা হবে।