


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লাইট, সাউন্ড, ক্যামেরা, অ্যাকশন– নির্বাক থেকে টকিজ– এ এক দুর্বার পথচলা। ১১২ বছরের সোনালি ইতিহাস ভারতীয় চলচ্চিত্রের। তাই সেই সময়কালকে স্যালুট জানিয়ে এবারে নিউ আলিপুরের ক্যানাল রোড সমাজসেবা সমিতির মণ্ডপসজ্জা ‘অবাক থেকে সবাক ছবির দল’।
১৯১৩ সালে দাদাসাহেব ফালকের ‘রাজা হরিশচন্দ্র’ দিয়ে যে ইতিহাসের সূচনা, তা আজও স্বমহিমায় বিরাজমান আধুনিক মাল্টিপ্লেক্সে। ১৯৫০ সালের পর বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে শুরু হয়েছিল স্বর্ণযুগ। বঙ্গ সংস্কৃতির ইতিহাসে লেখা হয় সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটকের মতো কিংবদন্তীর নাম, যাঁদের ঐতিহ্য আজও বহন করে চলেছে বাঙালি। সুচিত্রা সেনের মেকআপ বক্স, হাল্লার রাজার টুপি, পোশাক, সিনেমায় ব্যবহৃত মিঠুন চক্রবর্তী থেকে প্রসেনজিতের জামা-জুতো গিয়ে মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। মণ্ডপ সৃজনে শিবশঙ্কর দাস এবং প্রতিমা শিল্পী নব পাল। আবহসঙ্গীত গেয়েছেন নচিকেতা।
পুজোর এক উদ্যোক্তা সুস্মিতা রায় বলেন, ২০২৫-এর শারদীয়ায় ক্যানাল রোড সমাজসেবা সমিতির দুর্গোৎসবের মণ্ডপের পরতে পরতে চলচ্চিত্রের ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি। বাঙালির আবেগ, খাতার পাতায় লিখে রাখা রোমান্টিক গানের কলি, ডাইরিতে লুকিয়ে রাখা পছন্দের নায়িকার ছবি কিংবা পছন্দের নায়কের চুলের ছাঁট– এ সবই এক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার। সব মিলিয়ে আমাদের ‘অবাক থেকে সবাক ছবির দল’, যে পথ কখনও শেষ হওয়ার নয়। সুচিত্রা সেনের ব্যবহৃত মেকআপ বক্স।-নিজস্ব চিত্র